'ব্রেক্সিট' পরবর্তী সময়ে ভারত-ব্রিটেন সম্পর্ক কি আরও মজবুত হতে পারত! কয়েকটি তথ্য
ভারত-ব্রিটেন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার দিকে এগোতে চলেছে দুই দেশ। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, এই সম্পর্ক কি ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ে ইতিমধ্যেই আরও মজবুত হতে পারত?
ভারত-ব্রিটেন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার দিকে এগোতে চলেছে দুই দেশ। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, এই সম্পর্ক কি ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ে ইতিমধ্যেই আরও মজবুত হতে পারত? পারিপার্শ্বিক আন্তার্জাতিক কিছু পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে উঠে আসছে এমন বিতর্কও। সাম্প্রতিককালে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বেশ কেয়কটি দিক উঠে আসছে। যা ইউকে ইন্ডিয়া কনক্লেভের একটি বড় আলোচ্য বিষয়।

ইউকে-র কাউন্সিল ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্সের প্রেসিডেন্ট তথা কোবরা বিয়ারের চেয়ারম্যান লর্ড বিলিমোরিয়া মনে করেন , ব্রেক্সিটের পর পরই দুদেশের মধ্য সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হতে পারত। এক্ষেত্রে ভারতীয়দের অভিবাসন নিয়ে ব্রিটেনের সহজ মনোভাব আশা করেছিল ভারত। কারণ, ব্রিটেনের ভিসার ক্ষেত্রে ভারতীয়রা অন্যান্য জায়গার থেকে ৪ গুণ বেশি দাম দিয়ে থাকে। দুদিদেশের বাণিজ্য নীতির ক্ষেত্রেও ব্রিটেনের অভিবাসন নীতি ব্যাপকভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে। এর ফলে পরবর্তী পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে যেমন প্রভাব পড়বে, তেমনই প্রভাবিতহবে ব্রিটেনের আসন্ন সরকারগুলির নীতি।
ইন্ডিয়া আইএনসির প্রতিষ্ঠাতা ও নরেন্দ্র মোদীর প্রাক্তন কমিউনিকেশন ডিরেক্টর মনোজ লাদওয়া মনে করেন সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে কোনও ভুল করেনি ব্রিটেন। তিনি বলেন, ব্রেক্সিটের পরবর্তী সময়ে ভারত , ব্রিটেনের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ দেশ হয়ে উঠছে। ইওরোপের অর্থনীতিতে সুস্থির প্রবেশপথ হিসাবে ভারত একনও ব্রিটেনকেই দেখে। ভারতের বিভিন্ন আর্থিক ক্ষেত্রে যেভাবে লন্জন স্টক এক্সচেঞ্জ অবদান রাখছে তা প্রাসঙ্গিক। ভারতীয় বাজারে ব্রিটেনের বিনিয়োগও চোখে পড়ার মতো বলে জাবি করেন মনোজ লাদওয়া ।












Click it and Unblock the Notifications