হিলারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৬৫ কোটি লোক ঢোকানোর ফন্দি আঁটছে, জনসভায় বললেন ট্রাম্প
মেক্সিকো সীমান্ত লাগোয়া নিউ মেক্সিকোর একটি জনসভায় ট্রাম্প এই দাবি করলেন; পাশাপাশি কলোরাডোতে সাধারণ মানুষকে সাবধান করলেন নির্বাচনী কারচুপির প্রসঙ্গে
ওয়াশিংটন, অক্টোবর ৩১ : ভাবনাচিন্তা করে মন্তব্য করার গুণ তাঁর কোনওদিনই সেরকম নেই। তিনি রিপাবলিকান রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
আর এবারে তো একটি নির্বাচনী প্রচারে প্রায় সবকিছুকেই ছাড়িয়ে গেলেন তিনি। গত রবিবার (অক্টোবর ৩০) একটি সভায় ডেমোক্র্যাট প্রতিপক্ষ হিলারি ক্লিন্টনের দিকে তোপ দেগে বললেন প্রাক্তন মার্কিন বিদেশসচিবের লক্ষ্য আমেরিকাতে ৬৫ কোটি লোক ঢোকানোর এবং এক সপ্তাহের মধ্যে সে-দেশের জনসংখ্যা তিন গুণ বাড়িয়ে দেওয়া, জানিয়েছে 'দ্য গার্ডিয়ান' পত্রিকার একটি প্রতিবেদন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রতিবেশী দেশ মক্সিকো-লাগোয়া নিউ মেক্সিকো প্রদেশের আলবুকারকিতে অনুষ্ঠিত সভাটিতে ট্রাম্প অভিবাসন সম্পর্কে তাঁর কড়া অবস্থানের কথা জানানোর সময়ই বলেন হিলারির "মুক্ত সীমান্ত" নীতির কথা, জানিয়েছে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনটি ।
মার্কিন মুলুকের ইমিগ্রেশন এবং কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-এর আধিকারিকরা এই নির্বাচনে তাঁকেই সমর্থন জানিয়েছেন বলে ট্রাম্প "৬৫ কোটি" বিদেশির সে-দেশে ঢোকার কথা বলেন। সীমান্তের প্রহরীদের উদ্দেশে বলেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার নীতি তাও ভালো কিনতু "অসৎ" হিলারির সঙ্গে কাজ কড়া কঠিন কারণ তিনি সীমান্ত খুলে দেওয়ার পক্ষে।
"এর ফলে এদেশে ৬৫ কোটি মানুষ ঢুকে পড়তে পারে অথচ অসহায়ভাবে দেখা ছাড়া আমরা আর কিছুই করতে পারব না। এক সপ্তাহের মধ্যে এদেশের কলেবর তিনগুণ বড় হয়ে যাবে আর একবার যদি সমস্ত কিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে, আমাদের নিজেদের দেশ বলেই আর কিছু থাকবে না," বলেন ট্রাম্প।
ট্রাম্প শুরু থেকেই মার্কিন অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে গলা ছড়িয়েছেন। এমনকি, ক্ষমতায় এলে তিনি প্রতিবেশী রাষ্ট্র মেক্সিকোর সীমান্তে একটি বড় প্রাচীর তুলে দেওয়ারও ঘোষণা করেন যাতে সেদেশ থেকে কেউ আমেরিকায় ঢুকে পড়তে না পারে। এই নিয়ে মেক্সিকোর নেতৃত্বের কাছে সমালোচিতও হন ট্রাম্প।
হিলারিও জানিয়েছেন যে তিনি মার্কিন অভিবাসন নীতিতে সার্বিক সংস্কার চান এবং সেদেশে নামগোত্রহীন অনুপ্রবেশকারীরা যাতে সঠিকভাবে নাগরিকত্ব পায় সেটাও তিনি দেখবেন, কিনতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা একলাফে ৬৫ কোটি বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন বলে কোনও প্রমাণ নেই, জানিয়েছে গার্ডিয়ান-এর প্রতিবেদনটি।
অভিবাসন ছাড়াও ট্রাম্প কলোরাডো প্রদেশে আর একটি জনসভায় সাধারণ মানুষকে সাবধান করেন নির্বাচনী কারচুপি প্রসঙ্গে।












Click it and Unblock the Notifications