ওপার বাংলার মন জয় করে এবার বাংলায় প্রভাব ফেলার ছক, হাসিনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন মোদীর
দু'দিনের সফরে আজ ঢাকায় পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে আসেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ ঢাকায় পৌঁছে হাসিনার সঙ্গে ছবি টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী৷ সঙ্গে বাংলায় লেখেন, 'ঢাকা পৌঁছালাম। বিমানবন্দরে বিশেষ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ। এই সফর আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে অবদান রাখবে।'

বিশ্বজুড়ে সংক্রমণ শুরুর পর এটাই মোদীর প্রথম বিদেশ সফর
বিশ্বজুড়ে সংক্রমণ শুরুর পর এটাই তাঁর প্রথম বিদেশ সফর৷ আজ সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা দেন মোদী৷ সকাল দশটায় ঢাকা পৌঁছান৷ তাঁকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান শেখ হাসিনা৷ এরপর জাতীয় স্মৃতি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য পৌঁছে যান মোদী৷ শ্রদ্ধা জানানোর পর টুইটে তিনি লেখেন, 'বাংলাদেশের ৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় স্মৃতি সৌধে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন৷ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যাঁরা অংশ নিয়েছিলেন অনেকের কাছেই তাঁরা প্রেরণা৷' জাতীয় স্মৃতি সৌধে চারা রোপণ করেন৷

তিনটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকছেন মোদী
সফরকালে তিনটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকছেন মোদী৷ তাছাড়া স্বাস্থ্য, রেল, সীমান্তের পরিকাঠামোগত উন্নতি ক্ষেত্রে চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারেন তিনি৷ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সারবেন৷ থাকবেন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ আবদুল হামিদ৷ বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনের সঙ্গেও আলোচনা সারবেন তিনি৷ এছাড়া গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি 'বাংলাবন্ধু'-তে শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী৷ গোপালগঞ্জে মতুয়া ধর্মমতের প্রবক্তা হরিচাঁদ ঠাকুরের বাড়ি যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর৷ এরপর ২৭ মার্চ সাতক্ষীরার যশোরেশ্বরী মন্দিরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী৷

শেখ হাসিনার সঙ্গে কয়েক মিনিট কথাবার্তা হয় মোদীর
বিমানবন্দরে শেখ হাসিনার সঙ্গে কয়েক মিনিট কথাবার্তা হয় মোদীর৷ বিমানবন্দরে তাঁকে গার্ড অনার দেওয়া হয়৷ বিকেল ৩টে ১৫ নাগাদ বিদেশমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মোদী৷ এরপর ৩টে ৪৫ মিনিট নাগাদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে 'মুজিব বর্ষ'-এ অংশ নেবেন৷ সন্ধ্যায় বাপু বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ভিডিয়ো প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন মোদী৷

বাণিজ্য ও জলসম্পদের উপর বিশেষ মনোযোগ
বিদেশসচিব হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে৷ বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বিশেষ যোগসূত্রগুলির উদযাপন করা হবে৷ এই যোগসূত্রগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে৷ শ্রিংলা বলেন, উভয়পক্ষ একে অপরকে সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন চুক্তিতে স্বাক্ষর করবে। এর মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ও জলসম্পদের উপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে৷ ১৯৭১ সালের সংস্কৃতি সংরক্ষণ করা হবে৷
বাঁকুড়ায় দলীয় প্রার্থী সায়ন্তিকার প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়












Click it and Unblock the Notifications