নোট বাতিল ও জিএসটি-র ফলে ভারতের বৃদ্ধি থমকেছে, বন্ধু মোদীকে খোঁচা দিয়ে রিপোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের
মার্কিন প্রশাসন নোট বাতিল ও জিএসটির মতো সংষ্কারকেই ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি থমকানোর প্রধান কারণ হিসাবে ব্যাখ্যা করেছে।
ভারতের সঙ্গে আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ২০১৭ সালের প্রথম তিন ত্রৈমাসিকে ঘাটতি ছিল আগের আর্থিক বছরের তুলনায়। সেক্ষেত্রে মার্কিন প্রশাসন নোট বাতিল ও জিএসটির মতো সংষ্কারকেই প্রধান কারণ হিসাবে ব্যাখ্যা করেছে।

বলা হয়েছে, পরিকাঠামোগত অর্থনৈতিক সংষ্কারের কারণেই ভারতের বৃদ্ধি থমকে গিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের ইকোনমিক রিপোর্ট অব দ্য প্রেসিডেন্ট- অবশ্য আমেরিকার বৃদ্ধি নিয়ে আশাব্যঞ্জক রিপোর্ট পেশ করেছে।
পাশাপাশি অবশ্য বাণিজ্যক্ষেত্রে ভারতে রক্ষণশীল মানসিকতারও মৃদু সমালোচনা করেছে আমেরিকা। ভারতের বৃদ্ধি নিয়ে বলতে গিয়ে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের নভেম্বরে ভারতের নোটের ৮৬ শতাংশকে বাতিল করা হয়। যেখানে দেশের ৯০ শতাংশ লেনদেন হয় নগদ টাকায়।
তার পাশাপাশি ২০১৭ সালের জুলাই মাসে এক দেশ এক কর বা পণ্য ও পরিষেবা কর চালু করেছে ভারত। যা বিভিন্ন রাজ্যগুলির করব্যবস্থার সরলীকরণ করেছে। যার ফলে বাজারে অচলাবস্থা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
এছাড়া ভারতের ব্যাঙ্কগুলিতে বাজে ঋণ বা নন পারফর্মিং লোনের পরিমাণ বাড়া নিয়েও নরেন্দ্র মোদী সরকারকে রিপোর্ট পেশ করে খোঁচা দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।
২০০৭ সাল থেকে ভারত আমেরিকার বিভিন্ন কৃষিজ পণ্য ও পোলট্রির মাংস, ডিম, শুয়োরের মাংস আমদানি বন্ধ রেখেছে যাতে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভারতে প্রবেশ করতে না পারে। মার্কিন প্রশাসনের মতে, এই ব্যানের কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।












Click it and Unblock the Notifications