• search

ভূতকে জলের বিল মিটিয়ে দিতে নির্দেশ, নইলে গ্রেফতার!

  • By Ananya Pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    ফতিমা
    করাচি, ৩০ জুন: অশরীরী অর্থাৎ সোজা কথায় ভূতকে জলের বিল মিটিয়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হল সরকারের তরফে! যদি ১০ দিনের ভিতর তা দেওয়া না হয়, তবে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত তো হবেই, গ্রেফতার করে গারদে ভরা হবে ওই ভূতকে! ইয়ার্কি নয়, এ হল সরকারি ফরমান।

    ভাবছেন, এ কী আবোল-তাবোল রে বাবা! মোটেই নয়। তা হলে শুনুন গোটা ঘটনা।

    ফতিমা জিন্না। 'পাকিস্তানের জনক' মহম্মদ আলি জিন্নার বোন। ১৯৬৭ সালে এন্তেকাল হয় তাঁর। আজ ৪৭ বছর পর তাঁকে জলের বিল বাবদ ২,৬৩,৭৭৪ টাকা দিতে নির্দেশ দিয়েছে করাচি ওয়াটার অ্যান্ড সিউয়ারেজ বোর্ড! পাকিস্তান জুড়ে আলোড়ন উঠেছে এই খবরে।

    ফতিমা জিন্না এতদিন বিল মেটাননি, এটা হঠাৎ চোখে পড়ে চলতি বছরের এপ্রিলে। পুরনো রেকর্ড ঘাঁটতে ঘাঁটতে। ২৮ মে পর্যন্ত শহরবাসীকে বিল মিটিয়ে দেওয়ার সময় দেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট দফতর ভেবেছিল, ফতিমা জিন্নাও আসবেন বুঝি বিল দিতে। কিন্তু মরা মানুষ কি আর আসে? উনিও আসেননি। তার পরই কর্তারা দীর্ঘ নোটিশ পাঠান আরএ ২৪১, ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ঠিকানায়। মজার ব্যাপার হল, ওই ঠিকানায় এখন গড়ে উঠেছে মিউজিয়াম! ১৯৪৪ সালের মার্চে, মানে যখনও পাকিস্তানের জন্ম হয়নি, তখন মহম্মদ আলি জিন্না এক লক্ষ টাকার কিছু বেশি দামে এখানে একটি বাড়ি কেনেন। ১৯৪৮ সাল থেকে এখানে থাকতে শুরু করেন ফতিমা। ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত এখানে ছিলেন। পরে ১৯৬৭ সালে তিনি দেহ রাখেন।

    সরকারি নোটিশে বলা হয়েছে, ১০ দিনের ভিতর বকেয়া টাকা না মেটালে জলের লাইন কেটে দেওয়া হবে। তার পর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে তা নিলাম করে বকেয়া টাকা আদায় করা হবে। এমনকী, খেলাপিকে গ্রেফতার করে হাজতেও পাঠানো হবে। মানে ভূত ধরতে বেরোবে পুলিশ!

    করাচি ওয়াটার অ্যান্ড সিউয়ারেজ বোর্ডের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের সাফাই, কী করে বুঝব এই ফতিমা জিন্না 'জাতির জনক' মহম্মদ জিন্নারই বোন! কিন্তু ঠিকানা দেখেও কি বুঝতে পারেননি? এ বার তিনি নিরুত্তর। শুধু বলেছেন, এই নোটিশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে।

    English summary
    Dead Fatima Jinnah asked to pay water bill by Karachi authorities

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more