করোনার ধাক্কায় চরম দারিদ্রে ডুবতে চলেছেন ৪.৭ কোটি মহিলা, আতঙ্কের রিপোর্ট পেশ রাষ্ট্রপুঞ্জের
করোনার ধাক্কায় চরম দারিদ্রে ডুবতে চলেছেন ৪.৭ কোটি মহিলা, আতঙ্কের রিপোর্ট পেশ রাষ্ট্রপুঞ্জের
করোনা প্রাদুর্ভাবের জেরে ক্রমেই ভেঙে পড়ছে গোটা বিশ্বের অর্থনৈতিক অবস্থা। কাজ হারিয়ে বেকরত্বের শিকার হচ্ছেন কোটি কোটি মানুষ। এদিকে করোনার ধাক্কায় বিশ্বব্যাপী বেড়েই চলেছে দারিদ্রতার পরিমাণ। এমতাবস্থায় রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে করোনা ধাক্কায় আরও খারপ হতে চলেছে মহিলাদের অবস্থা।

কি বলছে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট
এই বিষয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের মহিলা শাখা এবং রাষ্ট্রপুঞ্জের উন্নয়ন প্রোগ্রামের (ইউএনডিপি) নয়া বিশ্লেষণে উঠে আসছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সদ্য প্রকাশিত এই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে করোনা সঙ্কটের জেরে নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে নারীদের জন্য দারিদ্র্যের হার।

চরম দারিদ্রতার শিকার ৪.৭ কোটি মহিলা
পাশাপাশি দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাসকারী পুরুষ এবং মহিলাদের জীবনমানের ব্যবধানও আরও চওড়া হবে বলে জানাচ্ছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। নয়া রিপোর্ট বলছে করোনা মহামারীর ধাক্কায় গোটা বিশ্বের ৪.৭ কোটি মহিলা ও মেয়ে চরম দারিদ্রতার শিকার হবে। যার জেরে বিশ্বব্যাপী বড়সড় ধাক্কা খেতে চলেছে একাধিক নারী উন্নয়নমূলক কর্মসূচী।

মহিলাদের দারিদ্রতার পরিমাণ ৯.১ শতাংশ বৃদ্ধি
এদিকে এর আগে ২০১৯ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে মহিলাদের দারিদ্র্যের হার প্রায় ২.৭ শতাংশ হ্রাস পাবে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু রোনা মহামারী সেই সমস্ত হিসেব নিকেশকেই ওলটপালট করে দেয়। কিন্তু করোনাকালীন পরিস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে বিশ্বব্যাপী মহিলাদের দারিদ্রতার পরিমাণ ৯.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

করোনা ধাক্কায় দারিদ্রসীমার নীচে ৯.৬ কোটি মানুষ
সদ্য প্রকাশিত রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে স্পষ্টতই বলা হচ্ছে, "২০২১ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৯.৬ কোটি মানুষকে চরম দারিদ্র্যসীমার নীচে দিকে ঠেলে দেবে করোনা মহামারী। যার মধ্যে ৪.৭ কোটি প্রাপ্তবয়ষ্ক নারী ও মেয়ে রয়েছে। ফলস্বরূপ চরম দারিদ্রতার মধ্যে বসবাসকারী মহিলার সংখ্যা বেড়ে হবে ৪৩.৫ কোটি।" করোনা মহামারী কেটে গেলেও ২০৩০ সাল পর্যন্ত এর ভয়াবহ জারি থাকবে বলেই জানাচ্ছে রাষ্ট্রপুঞ্জ।












Click it and Unblock the Notifications