তাইওয়ানকে ভাতে মারতে চায় বেজিং, খাদ্য আমদানি বন্ধ করল চিন
তাইওয়ানকে ভাতে মারতে চায় বেজিং, খাদ্য আমদানি বন্ধ করল চিন
তাইওয়ানকে এবার চরম শাস্তি দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বেজিং। পালোসি তাইওয়ান ছাড়তেই একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি শুরু হয়েছে। তাইওয়ানকে ভাতে মারতে মরিয়া চিন। ইতিমধ্যেই তাইওয়ানের সঙ্গে একাধিক বাণিজ্য বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে তারা। সেই সঙ্গে বেজিং তাইওয়ান েথকে খাদ্য আমদানি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। তাইওয়ান থেকে ফল এবং মাছ কেনে বেজিং। সেটার উপরে তাইওয়ানের অনেকটা অর্থনীতি নির্ভর করে। সেই অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভাঙতেই চিনের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন স্পিকার ন্যান্সি পালোসির হঠাৎ করে তাইওয়ানের মত ছোট্ট দেশে সফর যে একেবারেই সহজ সমীকরণে হয়নি সেটা ভালই বুঝতে পেরেছে চিন। সেকারণেই পালোসির তাইওয়ান সফর কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না জিনপিং। রাগে ফুঁসছেন তিনি। জিনপিংের রাগের বহিপ্রকাশ হচ্ছে একের পর এক হুঙ্কারে। পালোসির সফরের ফল তাইওয়ানকে ভুগতে হবে তার চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে এক প্রকার সামরিক শক্তি প্রয়োগের তোরজোর দেখা দিয়েছে চিন।
চিনের বিদেশমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন আগুন নিয়ে যাঁরা খেলছেন কাঁদের ফল ভোগ করতে হবে। আগুনে হাত তাঁদের পুড়বেই। তাইওয়ানকে শাস্তি পেতেই হবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। সেই শাস্তি খাঁড়া যে এভাবে অর্থনীতিতে আঘাত দিয়ে নেমে আসবে সেটা হয়তো আন্দাজ করতে পারেননি তাইওয়ান। বেজিং সেই প্রচেষ্টার প্রথম ধাক্কা দিয়ে ফেলেছে। তাইযান থেকে ফল আর মাছ আমদানি করে বেজিং। এবং সেটা বড় মাপের। তাইওয়ানের সিংহভাগ অর্থনীতি সেই আমদানি বাণিজ্যের উপরে নির্ভর করে। কাজেই চিনের এই পদক্ষেপে বেশ চাপে ফেলেছে তাইওয়ানকে তাতে কোনও সন্দেহ নেই।
তাইওয়ান থেকে আঙুর, লেবু, কমলালেবু সহ একাধিক ফল িচন আমদানি করে থাকে। এক কথায় চিন তাইয়ানের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করে এক প্রকার চাপ তৈরি করেছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য কয়েকদিন আগে চিনের উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। তাতে ব্যপক ধাক্কা খেয়েছে চিনের অর্থনীতি। সেই প্রতিশোধ নিতেই তাইওয়ানের সঙ্গে বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications