চিনের তাইওয়ানে দখলদারিতে বাধা দেবে আমেরিকা , বাইডেনের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ চিন
তাইওয়ান নিজেকে স্বাধীন হিসাবে ঘোষণা করলেও চিন ওই দেশকে নিজের দখলে আনার চেষ্টা করে। সেখানে প্রায়ই হামলা চালায়। বহুদিন ধীরে চিন সেখানে পা জমাবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়টি অনেকটা ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার হামলার মতো। সেখানেও মুখে না বললেও পিছন থেকে ইউক্রেনকে সাহায্য করছে আমেরিকা। কিন্তু তাইওয়ানের ক্ষেত্রে আবার সরাসরি চিন বলেছে যে সাহায্য করবে তাঁদেরকে। তাও আবার সঙ্গে জাপানকে নিয়ে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই মন্তব্য করেছেন। আর এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ চিন।

বাইডেনের নিন্দা করেছে চিন
সোমবার চিনের রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন তিনি বিস্মিত এবং ক্ষুব্ধ জো বাইডেনের উপর। চিন বাইডেনের নিন্দা করেছে। জানা গিয়েছে আমেরিকা বলেছে চিন যদি স্ব-শাসিত তাইওয়ান আক্রমণ করে তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের সঙ্গে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করবে। আসলে এটা শি জিনপিংয়ের পরিকল্পনাকে বিপন্ন করে তুলেছে। তাই এর তিনি নিন্দা করেছেন।

জিনপিং কেন ক্ষুব্ধ ?
চিনা মূল ভূখণ্ডের সাথে তাইওয়ানকে যোগ করে দেওয়া হল ৬৮ বছর বয়সী চিনা রাজনীতিবিদের হল প্রধান রাজনৈতিক উদ্দেশ্য। এই বছর তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তিনি মনে একরেন যে ওই কাজ যদি তিনি করতে পারেন তাহলে তার ক্ষমতায় ফিরে আসা অনেক সহজ হবে এবং ভোট পেতেও তাঁকে সাহায্য করবে। এমন সময় বাইডেনের এমন মন্তব্য। যা স্বাভাবিক কারনেই জিনপিংকে ক্ষুব্ধ করেছে।

চিন আমেরিকা তাইওয়ান
চিন তাইওয়ানকে একটি বিদ্রোহী প্রদেশ হিসেবে দেখে যেটিকে প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ করে তাঁদের মূল ভূখণ্ডের সাথে যোগ করা উচিত বলে তারা মনে করে। তাইওয়ানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তবে তার তাইওয়ানকে অস্ত্র বিক্রি করে, আর তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওই দ্বীপটিকে রক্ষা করার জন্য এতটা উঠে পড়ে লেগেছে। কারণ চিন সেখানে শাসন করতে শুরু করলে তারা স্বাভাবিকভাবে আর আমেরিকার থেকে অস্ত্র কিনবে না এতে আমেরিকার অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে। তাই তারা এখন উঠে পড়ে লেগেছে তাইওয়ানকে সাহায্য করতে।

কী বলেছে চিন ?
চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "আমরা মার্কিন মন্তব্যের তিব্র নিন্দা করছি। তাইওয়ান চিনা ভূখণ্ডের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং তাইওয়ান সম্পূর্ণরূপে চিনের অভ্যন্তরীণ বিষয়, যা নিয়ে আমরা কোনও বিদেশী হস্তক্ষেপ সহ্য করব না। চিনের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা সহ মূল স্বার্থের সাথে সম্পর্কিত ইস্যুতে আপোষ করার কোনও সম্ভাবনাই নেই। চিন তার সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষার জন্য দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে। আমরা আমাদের এই কথায় অনড় থাকব।"












Click it and Unblock the Notifications