Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র সচিব শহর পরিদর্শনে হেনস্থার মুখে, নেপথ্যে কী কারণ

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক ও স্বরাষ্ট্র সচিব সুয়েলা ব্র্যাভারমান শহর পরিদর্শনের গিয়ে প্রতিরোধের মুখ পড়লেন। তাঁদের ফিরে যেতে বলা হল পরিদর্শন না করেই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি যখন তাঁরা তিনজন পুলিশ কর্তাকে নিয়ে চেমসফোর্ডের হাই স্ট্রিটে পরিদর্শন করছিলেন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে পরিদর্শনকালে হেনস্থা করার ঘটনায় চা্ঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। কেন এই বিক্ষোভ? জানা গিয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্রিটেনের ঋষি সুনক সরকার দমন-পীড়ন শুরু করেছেন। তার প্রতিক্রিয়া স্বরূপ এই বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভের মাঝে পড়ে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে পরিদর্শন না করেই ফিরে যেতে বলা হয়।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্র সচিবকে পরিদর্শনে হেনস্থা

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক ও স্বরাষ্ট্র সচিব সুয়েলা ব্র্যাভারমান এদিন পাঁচ মিনিটের কিছু বেশি হেঁটে পরিদর্শনে যান। তারপর প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনককে চেমসফোর্ড বক্সিং ক্লাবে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি সমাবেশে ভাষণ দেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, সেই দমন-পীড়নের পরিকল্পনা সম্পর্কিত য়াবতীয় প্রশ্নের উত্তর দেন।

সোমবার বিতর্কিত অবৈধ অভিবাসন বিল উত্থাপন করা হয়েছিল হাউস অফ কমন্সে। তা কমিটির পর্যালোচনার জন্য ফিরে আসার সাথে সাথেই প্রতিবাদ শুরু হয়। ডাউনিং স্ট্রিটে উদারপন্থী এবং কনজারভেটিভ পার্টির ডানপন্থী উভয় পক্ষ থেকেই বিলটির প্রতি আপত্তি জানানো হয়েছে। তা নিয়ে বিতর্ক চরম আকার নিয়েছে।

তারই ফলশ্রুতিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় হেনস্তার মুখে পড়েন। যদিও তিনি জানিয়েছেন তিনি এ ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী যে, তারা এমন একটি বিল উপস্থাপন করেছেন, তা খুবই শক্তিশালী ও কার্যকর। স্বরাষ্ট্র সচিব সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান বলেন, আমি গত দু-মাস ধরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করছি। এবং তা থেকে আমি উপলব্ধি করেছে প্রধানমন্ত্রী কতটা এই বিলটি তৈরি করতে কতটা আনুগত্য প্রদর্শন করেছিলেন।

ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রসচিব আরও বলেন, "এটি আইনের একটি কঠিন অংশ, যা আমরা দেখিনি। একইসঙ্গে এটি গুরুত্বপূর্ণ যে, এটি কার্যকর করা দরকার। এটি কার্যকর করতে হবে। কারণ প্রতিটি দেশেরই কিছু আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা থাকে। আমাদের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলাও গুরুত্বপূর্ণ।

সুয়েলা ব্যাভারম্যান আরও বলেন, ব্রিটেন এমন একটি দেশ, যে দেশের সরকার আইন মেনে চলে। বেআইনি জিনিস করে না। তাই আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মেনে চলবেন তাঁরা। সেইমতোই তাঁরা কাজ করেছেন। এই বিল আনার চেষ্টা করেছেন। বিল আনবেনও। কারণ বিল আনা জরুরি।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+