Pakistan Bangladesh: বাংলাদেশের পাক-প্রীতি বুমেরাং! ব্যবসায়ীদের পণ্য কিনতে ‘জোরজুলুম’ ইসলামাবাদের
Bangladesh: সমুদ্রপথে বাণিজ্যে বাংলাদেশের পাকিস্তান (Pakistan) প্রীতি ক্রমেই বেড়ে চলেছে। চলতি সপ্তাহে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার করাচি থেকে চট্টগ্রামের বন্দরে এসেছে পাকিস্তানি জাহাজ। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের (Bangladeshi Traders) জোর করে পাকিস্তান থেকে আমদানিতে বাধ্য করা হচ্ছে। বাংলাদেশে হিন্দু নিপীড়নের জেরে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকতেই এবার সুযোগ নিচ্ছে পাকিস্তান।
শেখ হাসিনার জমানায় বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকাকালীন চট্টগ্রাম বন্দরের উপর তদারকির সুযোগ ছিল ভারতের। কিন্তু সেখানেই এখন পাকিস্তানের বাড়বাড়ন্ত। ২০০৪ সালে এই চট্টগ্রাম বন্দর থেকেই ১৫০০ বাক্স চিনা আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল। সেই চট্টগ্রাম ও মঙ্গলা বন্দরে ভারতকে কোণঠাসা করতে এবার সমুদ্রবাণিজ্য চুক্তিও খতিয়ে দেখার সুপারিশ করেছে বাংলাদেশের জাহাজ মন্ত্রক।

বাংলাদেশে মৌলবাদীদের মাথাচাড়া নিয়ে এমনিতেই উদ্বেগ বেড়েছে ভারতে। উত্তর পূর্ব ভারতে জঙ্গিদের সঙ্গে যোগসাজশ করে ভারতের বিরুদ্ধে নাশকতার ছক কষছে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা। এরই মাঝে পাকিস্তান থেকে আসা জাহাজে কোনওরকম তল্লাশি (Inspection) না চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের সরকারের তরফে। ইসলামাবাদকে (Islamabad) ঢালাও ছাড় দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের তরফে।
বাংলাদেশের এই পাকিস্তান সখ্যতার জেরে উদ্বেগ বেড়েছে ভারতের। গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে উদ্ধার হওয়া চিনা আগ্নেয়াস্ত্র পাকিস্তানে আইএসআই (ISI) এর তরফে ভারতে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ULFA (ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম)-কে পাচারের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। আর তার ২০ বছর পর ফের চট্টগ্রাম বন্দরে পাকিস্তানের খুলেআম কার্যকলাপ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ভারতে।
হাসিনার সময়কালে বাংলাদেশের বন্দরে পাত্তাটুকু পায়নি পাকিস্তান। পাকিস্তান থেকে আসা জাহাজের পণ্য মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর অথবা শ্রীলঙ্কায় খালাস করে অন্য জাহাজে বাংলাদেশে আসত। চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে সেই সমস্ত জাহাজের গতিবিধির উপর নজরদারি রাখত ভারত। কিন্তু এখন ভারতের অবদান ভুলে পাকিস্তানকেই ঢালাও ছাড় দিয়েছে ইউনূসের সরকার।
সম্প্রতি মিশরের কায়রোতে পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে ইউনূসের সাক্ষাতের পরই ঢাকার সঙ্গে ইসলামাবাদের সম্পর্ক মজবুত করার বার্তা দেওয়া হয়। পাকিস্তানি জাহাজে ইতিমধ্যেই চট্টগ্রামের বন্দরে ৮১১টি কন্টেনারে সোডা অ্যাশ, ডলোমাইট, মার্বেল ব্লক, চিনি, বস্ত্রের কাঁচামাল ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম এসে পৌঁছেছে।












Click it and Unblock the Notifications