Bangladesh Unrest: লক্ষ্মীবারেই 'বাংলা'য় অন্তর্বর্তী সরকার, রাত ৮ টায় শপথ নেবেন নোবেলজয়ী
Bangladesh Unrest: বেশ কিছুদিন কেটে গিয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন শেখ হাসিনা! সেনার শাসনে দেশ। কিন্তু এখনও অশান্ত পরিস্থিতি। সামনে আসছে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনা। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন অফিস-বাড়িতে। বিক্ষোভকারীদের টার্গেটে আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মীরা।
আর এই অবস্থায় (Bangladesh Unrest) বড় বার্তা দিলেন বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান (Waker-uz-Zaman)। তিনি জানিয়েছেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবারই হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ। রাত আটটার দিকে এই শপথের অনুষ্ঠান হতে পারে বলে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসাবে নোবেলজয়ী ড. মহম্মদ ইউনূসের নামে শিলমোহর পড়েছে। আর এরপরেই বৃহস্পতিবার প্যারিস থেকে দেশে ফিরছেন তিনি। ইউনূসসাহেবকে বাংলাদেশ বিমানবন্দরে স্বাগত জানাবেন সেনা প্রধান সহ একাধিক আধিকারিক।
ওয়াকার উজ জামান জানিয়েছেন, মহম্মদ ইউনূসকে সব রকম ভাবে সরকার গড়তে সাহায্য করা হবে। তিনি এবং গোটা টিম সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সেনাপ্রধান জানিয়েছেন, বাংলাদেশে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তৈরি হবে সেখানে সদস্য সংখ্যা ১৫ জন হতে পারে। প্রয়োজনে আরও দু-এক জন বেশিও হতে পারে বলেও জানিয়েছেন ওয়াকার উজ জামান। শপথ অনুষ্ঠানে ৪০০ জন উপস্থিত থাকতে পারে।
তবে এদিন কারোর নাম ঘোষণা করা হয়নি। সবটাই আলোচনার উপর ভিত্তি করে হবে বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে এদিন বাংলাদেশে পা রাখার আগেই একটি বার্তা দিয়েছেন নোবেলজয়ী। যেখানে বাংলাদেশের মানুষ এবং ছাত্র সমাজকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বলছেন, সাহসী ছাত্রদের আমি অভিনন্দন জানাই, যাঁরা আমাদের দ্বিতীয় বিজয় দিবসকে বাস্তবে রূপ দিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এই আন্দোলনরত ছাত্রদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশের মানুষকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে শান্ত হওয়ার বার্তাও শোনা গিয়েছে মহম্মদ ইউনূসের বক্তব্যে। তাঁর কথায়, নতুন বিজয়ের সর্বোত্তম সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু কোনও প্রকার ভুলে আমাদের এই বিজয় হাতে হাতছাড়া না হয়ে না সেই কথাও দেশের মানুষকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন ।
একই কথা শোনা গিয়েছে বাংলাদেশ সেনা প্রধানের বক্তব্যেও। তিনি দেশের মানুষকে শান্ত থাকার কথা জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, কোনও রকমে গুজবে কান না দেওয়ারও কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ডাক দিয়েছেন খালেদা জিয়াও। তাঁর কথাও, বাংলাদেশের তরুণরা যে স্বপ্ন দেখেছেন, তা বাস্তব করতে হবে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।












Click it and Unblock the Notifications