ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ৭, আহত ১৫০,এত ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানী কীভাবে? জানুন
আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে ফের ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল। সোমবার গভীর রাত আনুমানিক ১ টা নাগাদ ৬.৩ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূকম্পন কাঁপিয়ে দেয় দেশের উত্তরাঞ্চলের বড় শহর আফগানিস্তানের মাজার ই শরিফ ও খুলম শহরকে। এতে অন্তত ৭ জন নিহত ও ১৫০ জন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূ পৃষ্ঠের প্রায় ২৩ কিলোমিটার গভীরে। রাতের অন্ধকারে মানুষ ঘুমিয়ে থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস সতর্ক করে জানিয়েছে,"গুরুতর প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক বা জাতীয় স্তরে জরুরি ত্রাণ ব্যবস্থার প্রয়োজন হতে পারে।"
সমাঙ্গানের স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখপাত্র সামিম জোয়ান্ডা জানান, "এখন পর্যন্ত ৭ জন নিহত ও ১৫০ জন আহত হয়েছেন। সকলকে দ্রুত হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।" প্রাথমিক হিসেব হাসপাতাল ও উদ্ধারকারী দলের তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পরে জানানো হবে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষ আটকে আছেন, উদ্ধারকারীরা মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন তাদের বাঁচানোর। কিছু ভিডিওতে মৃতদেহ বের করে আনতেও দেখা গেছে। তবে এসব ফুটেজের সত্যতা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
আফগানিস্তান সক্রিয় ভূকম্পন অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় প্রায়শই ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশটি।চলতি বছরের অগাস্ট মাসে পূর্বাঞ্চলে ৬.০ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ২,২০০ জন নিহত ও ২৮০০ জনের বেশি আহত হন।
তার আগে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে হেরাত শহরে ৬.৩ মাত্রার চারটি বড়ধরনের ভূমিকম্পে ১,০০০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।
নতুন এই ভূমিকম্পে আবারও সেই আতঙ্ক ও ক্ষতবিক্ষত স্মৃতি ফিরিয়ে দিয়েছে আফগানিস্তানের নাগরিকদের।আফগাা প্রশাসন সূত্রে খবর সার্বিক পরিস্থিতি, ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ চলছে। আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর সহযোগিতারও আহ্বান জানানো হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় প্রশাসনের।












Click it and Unblock the Notifications