নতুন করোনা স্ট্রেন ওমিক্রনের বিরুদ্ধে আদৌও কার্যকরী ভ্যাকসিন? জানতে খোঁজ চালাচ্ছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা
ঠিক যখনই মনে করা হচ্ছিল, এবার বুঝি শেষ হতে চলেছে কোভিডের বাড়বাড়ন্ত। আফ্রিকার দক্ষিণাংশে খোঁজ মিলেছে করোনার নতুন স্ট্রেনের। আর এই নতুন ভ্যারিয়েন্টই এবার চিন্তা বাড়াচ্ছে বিশেষজ্ঞদের৷ প্রশ্ন উঠছে, বাজারচলতি টিকাগুলি আদৌ এর বিরুদ্ধে কার্যকরী কিনা।

উত্তর খুঁজছে অ্যাস্ট্রজেনেকাও। শুক্রবার ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আফ্রিকার দক্ষিণাংশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া স্ট্রেনটির বিরুদ্ধে টিকা এবং অ্যান্টিবডি ককটেল কতটা কার্যকর তা জানার জন্য পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থাটি আশাবাদী যে টিকার কম্বিনেশনে নিশ্চিতরূপে আয়ত্তে আনা যাবে মারণ ভাইরাসের নয়া স্ট্রেনকে।
আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণাংশে বি ১.১.৫৩৯ স্ট্রেনের প্রাদুর্ভাবের কথা অল্প বিস্তর সকলেরই জানা। এর ফলেই জার্মানি, ইটালি, ব্রিটেন দক্ষিণ আফ্রিকা সহ একাধিক দেশের সঙ্গে বিমান চলাচল স্থগিত রেখেছে। আশঙ্কার কথা শুনিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নও। তাদের বৈঠকেও সাময়িকভাবে ওই দেশগুলিতে যাতায়াত বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে তারা।
অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে দুই বিলিয়ন ডোজ টিকা বিতরন করেছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। মাঝে বিটা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে তাদের টিকার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বন্ধ ছিল ভ্যাকসিন বণ্টন। তবে এবার নতুন স্ট্রেনের বিরুদ্ধে তাদের টিকা কার্যকর কিনা তা খতিয়ে দেখতে উঠেপড়ে লেগেছে তারা। একটি বিবৃতিতে তারা জানায়, বটস্বানা এবং ইটস্বাতিনিতে তথ্য সংগ্রহ করছে তারা। তাঁদের মতে, এভাবেই স্ট্রেনটির গতিপ্রকৃতি সম্পর্কেও জানতে পারবেন তাঁরা। একইসঙ্গে টিকার কার্যকারিতাও জানা যাবে।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে টিকার কার্যকারিতা পরখ করতে একটি ভ্যাকসিন প্ল্যাটফর্মও বানিয়েছে তারা। এই উদ্যোগে তারা পাশে পেয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে। এর আগেই তারা জানিয়েছিল যে বিটা ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর এমন টিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। একইসঙ্গে অ্যান্টিবডি ককটেলের কথাও জানানো হয়েছিল। দাবি করা হয়েছিল, কোভিড সংক্রমণ রুখতে এবং চিকিৎসা করতে সেটিকে ব্যবহার করা যাবে৷












Click it and Unblock the Notifications