জ্বলছে বাংলাদেশ, একের পর এক ধর্ষণ-শ্লীলতাহানি! ব্যর্থ ইউনূসের উপদেষ্টার দাবি, ভারতে থাকা হাসিনাই...
Bangladesh: একদিকে বিক্ষোভ আন্দোলন অন্যদিকে প্রশ্নের মুখে মহিলা নিরাপত্তা! গত দুমাসে একের পর এক ধর্ষণ-শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে। পরিস্থিতি এতটাই যে ফের একবার ছাত্র সমাজ পথে নেমেছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে চলছে আন্দোলন। এমনকী এই বিষয়ে ইউনূস সরকারকে ২৪ ঘণ্টা সময় পর্যন্ত বেঁধে দিয়েছে। না হলে ফের বড়সড় আন্দোলনের ডাক। কার্যত পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ ইউনূস। ইতিমধ্যে তা মেনেও নিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
কিন্তু তা মানতে নারাজ বাংলাদেশের (Bangladesh) বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তাঁর দাবি, ''ভারতের আতিথেয়তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য যে আগুনে ঘৃতাহুতি, এটা স্বীকৃত''। অর্থাৎ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যের কারণেই নাকি বাংলাদেশ অশান্ত। একই সঙ্গে সংখ্যালঘু নিয়েও বার্তা দিয়েছেন তৌহিদ সাহেব। তাঁর কথায়, ''বাংলাদেশের সংখ্যালঘু, বাংলাদেশেরই বিষয়। এটি ভারতের বিষয় হতে পারে না''।

একাধিক ইস্যুতে যখন উত্তাল বাংলাদেশ সেই সময় কার্যত 'ড্যামেজ কন্ট্রোলে' নেমেছেন বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। বলেন, বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতা বাংলাদেশকেই সামাল দিতে হবে। তবে এর পিছনে শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যকেই ফের একবার হাতিয়ার করেন।
এমনকী ভারত বাংলাদেশ সম্পর্কও নাকি এর উপর দাঁড়িয়ে বলেও ইঙ্গিত। বিদেশ উপদেষ্টা বলেন, 'আমাদের খুব স্পষ্ট সিদ্ধান্ত এই ব্যাপারে আছে। আমরা ভারতের সঙ্গে গুড ওয়ার্কিং রিলেশন চাই। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে এই সম্পর্ক। এ ব্যাপারে আমাদের কোনো অস্পস্টতা নেই।' তবে শেখ হাসিনার বক্তব্যে সম্পর্কে যে প্রভাব পড়ছে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের বিদেশ উপদেষ্টা।
অন্যদিকে সংখ্যালঘু ইস্যুতেও কথা বলতে গিয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, 'সংখ্যালঘুদের বিষয়টি আমরা দেখছি। তারা বাংলাদেশের নাগরিক। আমার যতটা অধিকার, তাদের (সংখ্যালঘুদের) প্রত্যেকের ততটা অধিকার আছে এ দেশের ওপরে। সরকার সেটাই সব সময় বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করবে।'
বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগেও বাংলাদেশের (Bangladesh) বুকে সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভেঙে দেওয়া হয়েছে পাবনার ঐতিহ্যবাহী কালীমন্দির। এমনকী বিভিন্ন সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ।
শুধু তাই নয়, গত কয়েকমাসে দেশের একাধিক জায়গায় সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন ইউনূস সরকার। এই অবস্থায় এহেন বক্তব্য যথেষ্ট বিতর্কিত বলেই মনে করা হচ্ছে। (Bangladesh)












Click it and Unblock the Notifications