• search

১০ দিনে সিরিয়ায় মৃত ৬০০! বোমা হামলা থামলেও লাশের সারি থামছে না

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    সিরিয়ায় গত ১০ দিনে বাশার আল আসাদের সরকারি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৬০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। জাতিপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত হওয়ার পরও আসাদের হামলা থামেনি বিদ্রোহী বাহিনীর বিরুদ্ধে। যার ফলস্বরূপ এখন বোমা হামলা থেমে গেলেও লাশের সারি বেরনো জারি রয়েছে।

    ১০ দিনে সিরিয়ায় মৃত ৬০০! বোমা হামলা থামলেও লাশের সারি থামছে না

    [আরও পড়ুন:হোয়াইট হাউসের ট্রাম্প ঘনিষ্ঠ আধিকারিক ইস্তফা দিচ্ছেন! সরগরম মার্কিন রাজনীতি ]

    সিরিয়ায় বিদ্রোহীদর আটকাতে রাশিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বাশার আল আসাদের সরকার। পূর্ব সিরিয়ার গৌটায় রাশিয়ার পরামর্শ না মেনে এলাকার বাসিন্দারা সরে না যাওয়ায় সেখানে বোমা ফেলা হয়েছে।

    বুধবারও দামাস্কাসের কাছে পূর্ব গুটা এলাকায় সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করে বিদ্রোহীদের উপর বোমাবর্ষণ করেছে যৌথবাহিনী। জাতিপুঞ্জের প্রস্তাব ছিল আগামী একমাস যুদ্ধবিরতি চলবে। তা সত্ত্বেও রাশিয়া জানিয়ে দেয় বিদ্রোহীরা চুক্তি মানতে রাজি না হলে হামলা চলবে।

    ১০ দিনে সিরিয়ায় মৃত ৬০০! বোমা হামলা থামলেও লাশের সারি থামছে না

    আসাদ ও রাশিয়ার প্রস্তাব ছিল এলাকার বাসিন্দারা সরে পড়ুন। তাতে তাঁকা কর্ণপাত করেননি। চেকপয়েন্ট বানানো হয়েছিল। তাতে কেউ আসেননি। সিরিয়ার সংবাদমাধ্যমও এই হামলার বিরোধিতায় শামিল হয়েছে।

    যদিও যৌথ বাহিনীর দাবি, বিদ্রোহীরা হামলা চালাচ্ছে। বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়তে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

    সিরিয়ায় এতজন মানুষের মৃত্যুর মধ্যে বেশিরভাগই শিশু। যা আরও বেশি মর্মান্তিক। একেরপর এক ধ্বংসাবশেষ থেকে লাশের সারি বেরোচ্ছে। এই যুদ্ধ ও হাহাকার কবে থামবে সেটাই এখন দেখার।

    English summary
    Russia's bombardment killed 600 civilians in Syria's Ghouta in 10 days

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more