প্রবল ভূমিকম্পে শুধু সিরিয়াতেই ছাদহীন প্রায় ৩০০,০০০ মানুষ! প্রবল ঠান্ডায় মৃত্যুর মুখে বহু
কবি লিখেছিলেন ক্ষুদার রাজ্যে চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি! ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত মানুষগুলির কাছে এটাই বাস্তব। মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ছাদহীন হয়েছেন বহু মানুষ। আশ্রয় হারিয়ে রাস্তায় নামতে হয়েছে। নেই খাবার। বেঁচে থাকাটাই যেন চ্যালেঞ্জ
তুরস্ক এবং সিরিয়া জুড়ে দুঃস্বপ্নের ঘোর যেন কাটছেই না! ভূমিকম্পের পর থেকেই জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ। সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, ভুমিকম্পের জেরে শুধুমাত্র সিরিয়াতে ঘর ছাড়া হতে হয়েছে অন্তত ২ লক্ষ ৯৮ হাজার মানুষকে। সিরিয়ার যে অংশে সরকারি নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সেই অংশে আধিকারিকরা এমনটাই চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন।

আর তা সামনে আসার পরেই কার্যত উদ্বেগে বিশ্ব।
সে দেশের পরিবেশ দফতরের মন্ত্রী হুসেন মাখলু জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ চলছে একেবারে তৎপরতার সঙ্গে। ধ্বংসস্তুপের মধ্যে এখনও বহু মানুষ আটকে আছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে যত সময় গড়াচ্ছে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কমছে। তবে বিপুল সংখ্যায় ঘর ছাড়াদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা সে দেশের সরকার নিয়েছে বলেই জানানো হয়েছে। অন্তত ১৮০ টি শিবির প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই মন্ত্রী।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে অন্তত ২ হাজার ৬৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে গত সোমবারের ভূমিকম্পে। তুরস্কে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৯ হাজার। আর এর মধ্যে প্রবল ঠান্ডা রীতিমত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি ওই ঠান্ডায় উদ্ধারকাজ চালানোও ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানা যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, বহু মানুষ এখনও পর্যন্ত খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নিয়েছে। আবর্জনাস্তুপ পুড়িয়ে কোনও ভাবে ঠান্ডা থেকে রেহাই পাওয়ার চেষ্টা করছেন ছাদহীন মানুষগুলো।
একই সঙ্গে খাবারের একটা অভাব দেখা দিয়েছে বলেও খবর। যদিও আন্তজাতিক স্তর থেকে তুরস্ক এবং সিরিয়াকে সাহায্যের ঘোষণা করা হয়েছে। সাহায্যের ঘোষণা করা হয়েছে ভারতের তরফেও। শুধু ঘোষণাই নয়, ইতিমধ্যে ভারতের টিম দুই দেশেই পৌঁছে গিয়েছে। উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে। কিন্তু এখনও বহু জায়গা রয়েছে সেখানে উদ্ধারকারী দল পৌঁছতে পারছে না বলেই খবর।
As part of the ongoing #OperationDost, the IAF has been transporting relief material, critical life-saving equipment & personnel to Türkiye & Syria. So far, six aircraft have undertaken these round-the-clock life-saving missions: Indian Air Force
— ANI (@ANI) February 8, 2023
(Pics: Indian Air Force) pic.twitter.com/EGA6ybYXKX
এই অবস্থায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেছেন, এটা যেন সময়ের বিপরীতে দৌড়চ্ছি আমরা। হুয়ের তরফ থেকে দুই দেশেই মেডিক্যাল টিম এবং চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানোর কাজ শুরু হয়েছে। যাতে সমস্ত দেশ দ্রুত সাহায্য পাঠায় সেই আর্জি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে সিরিয়ার উপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সেগুলি তুলে নিয়ে দ্রুত সাহায্যের আর্জিও জানানো হয়েছে আসাদ সরকারের তরফে। অন্তত দুই দেশ মিলিয়ে দু কোটি ৩০ লাখ মানুষ আক্রান্ত এই ভূমিকম্পে হয়েছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ হু'য়ের।












Click it and Unblock the Notifications