Delimitation: সীমানা পুনর্নির্ধারণে সিঁদুরে মেঘ দেখছে দক্ষিণ ভারত! কী এই ডিলিমিটেশন? জানুন বিশদে
Delimitation: ডিলিমিটেশন, যার বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় সীমানা পুনর্নির্ধারণ। আর এই ডিলিমিটেশন নিয়েই ভীত সন্ত্রস্ত তামিলনাড়ু-সহ (Tamil Nadu) দক্ষিণের রাজ্যগুলি। ২০২৬ এর মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা (Population) দাঁড়াবে প্রায় ১৪১ কোটি। আর তাই লোকসভা আসনের (Lok Sabha Seats) পুনর্বিন্যাস প্রয়োজন। তার তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে তামিলনাড়ু-সহ দক্ষিণী রাজ্যগুলি।
গত মঙ্গলবারই এক্স পোস্টে বিতর্ক আরও উসকে দিয়েছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন। তাঁর মতে, আসন পুনর্বিন্যাস হলে তামিলনাড়ু শুধু নয়, দক্ষিণী রাজ্যগুলির উপরও বিপদ বাড়ছে। সংসদে তাদের প্রতিনিধি কম হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা। সাংসদের সংখ্যা কমে যেতে পারে, ফলে সংসদে হিন্দিভাষী রাজ্যগুলির আগ্রাসন বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা সর্বদলীয় বৈঠকেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন স্ট্যালিন।

যদিও স্ট্যালিনের তত্ত্ব উড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেই আশ্বাস প্রদান করেছেন দক্ষিণী রাজ্যগুলিকে। কোয়েম্বাটুরে এক জনসভায় শাহ বলেন, আসন পুনর্বিন্যাসের ফলে তামিলনাড়ু বা কোনও দক্ষিণী রাজ্যেই লোকসভার আসন সংখ্যা কম হবে না। সমানুপাতিক জনসংখ্যার নিরিখে আসন সংখ্যা কমবে না বলে আশ্বস্ত করেন শাহ। জনগণকে নিশ্চিত থাকতে বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
- কিন্তু কী এই ডিলিমিটেশন?
যা নিয়ে এত শোরগোল, সেই ডিলিমিটেশন আসলে জনসংখ্যার বদলের উপর ভিত্তি করে বিধানসভা বা লোকসভা কেন্দ্রের সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়া। জনসংখ্যার তারতম্যের উপর নির্ভর করে সংসদীয় ক্ষেত্রের সীমানা নির্ধারণ করা হয়। ডিলিমিটেশনের ফলে তফসিলি জাতি ও উপজাতি সংরক্ষিত কয়টি আসন হবে, তাও পুনর্নির্ধারণ করা হয়। জনসংখ্যার সঙ্গে সংসদীয় এলাকার ভারসাম্য বজায় রাখতেই ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়ার সূচনা করা হয়েছিল।
- কীভাবে ও কবে ডিলিমিটেশন করা হয়েছিল?
সংবিধানের ৮২ ও ১৭০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রতি আদমশুমারির পর মোট লোকসভা আসন সংখ্যা ও তাদের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হয়। সংসদ অনুমোদিত ডিলিমিটেশন কমিশনের সদস্যরা জনগণনার উপর ভিত্তি করে এই কাজ করে থাকেন। এর আগে তিনবার তথা ১৯৫১, ১৯৬১ ও ১৯৭১ সালে ডিলিমিটেশন হয়েছিল। জনসংখ্যার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে লোকসভার আসনসংখ্যাও।
১৯৫১ সালের জনশুমারির পর ভারতের জনসংখ্যা ছিল ৩৬.১ কোটি। লোকসভার আসন সংখ্যা ছিল ৪৯৪টি। প্রতি আসনে ৭.৩ লক্ষ ভোটার ধরা হয়েছিল। ১৯৬১ সালে লোকসভা আসন বেড়ে দাঁড়ায় ৫২২টি। জনসংখ্যা বেড়ে হয় ৪৩.৯ কোটি।
প্রতি আসনে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৮.৪ লক্ষ। ১৯৭১ সালে লোকসভা আসন বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪৩টি। মোট জনসংখ্যা বেড়ে হয় ৫৪.৮ কোটি। অর্থাৎ, আসন প্রতি জনসংখ্যা ধরা হয় ১০.১ লক্ষ।
-
নতুন নির্দেশিকায় কড়া কেন্দ্র, নিয়ম না মানলে খোয়া যেতে পারে এলপিজি কানেকশনও! -
শেষ মুহূর্তে ক্যানসেল? আর মিলবে না টাকা! টিকিট বাতিলে বড় বদল ভারতীয় রেলওয়ের, জানুন নতুন নিয়ম -
তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, অভয়ার মায়ের নাম ঘিরে বড় চমক পানিহাটিতে -
ভোটার তালিকায় গণ্ডগোল ঘিরে উদ্বেগ, দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি সামাল কমিশনের -
রাজস্থানের পর মালিকানা হাতবদল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুরও, আইপিএলে তৈরি হল নয়া রেকর্ড -
হরমুজ খুলে দাও, পরমাণু কর্মসূচিতে লাগাম, ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাবে ট্রাম্প, রাজি হবে কি তেহরান? -
ফের অসুস্থ সোনিয়া গান্ধী, দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি, চিকিৎসকদের নজরে শারীরিক অবস্থা -
এলপিজি রিফিল বুকিংয়ের সময়সীমা পরিবর্তনের খবর কি সত্যি? আসল তথ্য জানাল কেন্দ্র -
হুমায়ুন-ওয়েইসির জোটের চোখ ১৮২টি আসনে, সংখ্যালঘু ভোট সুসংহত করাই মূল লক্ষ্য -
ভোটার তালিকায় ‘অদৃশ্য' নাম! কমিশনকে তোপ দাগলেন মমতা, উত্তরবঙ্গের মঞ্চে চড়ল রাজনৈতিক পারদ -
সব কেড়ে নিলেও মানুষ আমার পাশে, ময়নাগুড়ি থেকে বিজেপি ও কমিশনকে একসুরে নিশানা মমতার -
ভোটের আগে বড়সড় সাফল্য, বিহার থেকে বাংলায় অস্ত্র পাচার রুখল পুলিশ












Click it and Unblock the Notifications