• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    হোয়াটস অ্যাপ-এ গুজবের জেরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি জামশেদপুরে, মৃত ২

    একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে বাচ্চা চুরির রটনাকে ঘিরে উত্তাল হয়ে উঠল জামশেদপুর ও তার সংলগ্ন এলাকা। জানা গিয়েছে, ঘটনার জেরে এলাকার ৬ জনকে মারধর করা হয়। যাদের মধ্যে অনেকজনই এলাকা সংলগ্ন মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামের বাসিন্দা। স্বভাবতই সংঘর্ষের আবহে চাঞ্চল্য় ছড়িয়েছে এলাকায়।

    হোয়াটস অ্যাপ-এ গুজবের জেরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি জামশেদপুরে

    মূলত ঘটনা, উপজাতি অধ্যুষিত এক গ্রাম থেকে শুরু হয় বলে খবর। সেখানে বাচ্চা -চোর গুজবে ২জন কে উপজাতি অধ্যুষিত এলাকার গ্রামে পিটিয়ে মারা হয়। তার জেরে উপজাতি অধ্যুষিত এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে বাইরের এলাকার বাসিন্দাদের সংঘর্ষ শুরু হয়। এদিকে বাচ্চা চুরির রটনার জেরে ছেলে মেয়েদের স্কুলে পাঠানো পর্যন্ত বন্ধ করে দেন এলাকাবাসীরা।

    বেশ কয়েকদিন ধরে চলা এই থমথমে পরিস্থিতি এখনও প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণের বাইরেই রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীদের মধ্যে। উপজাতি অধ্য়ুষিত গ্রামে তির , ধনুক, লাঠি নিয়ে পাহারা দিতে বসেছেন গ্রামবাসীরা। গোটা ঘটনায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়াতার অভিযোগ উঠছে বার বার।

    English summary
    After the rumours of baby lifting went viral through Whatsapp, the situation in Jamshedpur and neighbouring areas remains tense. Even after two cases of lynching resulting in the death of seven persons in Muslim-dominated areas in the city, the administration took no cognisance of the messages allegedly showing dead children with the dates of incidents of baby lifting prompting parents to stop their children from attending schools or going out to play.
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more