উত্তরাখন্ডে 'কাজ না' করা MLA দের সরিয়ে যুবদের টিকিট দেবে BJP
উত্তরাখন্ডে 'কাজ না' করা MLA দের সরিয়ে যুবদের টিকিট দেবে BJP
বেশ কয়েকমাস বাকি রয়েছে উত্তরাখণ্ডের বিধানসভা নির্বাচনে৷ কিন্তু ইতিমধ্যেই কারা ভোটে লড়বেন তার প্রস্তুতি শুরু করল বিজেপি৷ ২০১৭ শেষ বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরাখণ্ডে বড় জয় পেয়েছিল বিজেপি৷ রাজ্যের ৭০টি আসনের ৫৭টি ছিল গেরুয়া শিবিরের ঝুলিতে৷ এবারে লড়াই কিছুটা শক্ত আঁচ করেই গতবারের MLA দের অন্তত ২০জনকে বদলে যুব মুখ সামনে আনতে চলেছে বিজেপি৷

সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর গতবারে জয়ী প্রার্থীদের অনেকেই আশানুরূপ কাজ করতে পারেননি নিজেদের এলাকায়৷ এবার এই সব MLA দেরই সরাতে চলেছে বিজেপি৷ এদের আর টিকিট দেওয়া হবে না দলের মধ্যেই এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ ২০২২ এ উত্তরাখণ্ডের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশও বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে৷ এক রাজ্যের নির্বাচন অন্য রাজ্যকে কতটা প্রভাবিত করবে? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিজেপি নেতা জানিয়েছেন যোগীজী উত্তরপ্রদেশ যে কাজ করেছেন তাতে সমস্ত প্রতিবেশি রাজ্যে মানুষ বিজেপির প্রতি আকৃষ্ট হবে৷
উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সভাপতি দুষন্ত কুমার গৌতম দলের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য রাখতে চাননি৷ তবে তিনি জানান, শেষ পাঁচ বছরে উত্তরাখণ্ডে প্রচুর জনকল্যানমূল কাজ হয়েছে। রাজ্যের বিজেপি সরকার মানুষের প্রয়োজনে সবসময় এগিয়ে এসেছে৷ কংগ্রেসী আমলে উন্নয়নের গতি রোধ হয়েছিল যেটা বিজেপির সময় বদলেছে৷ এই উন্নয়ন দেখে মানুষ আবার বিজেপিকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় ফেরাব৷
গৌতমের বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যে দাবি করে উত্তরাখণ্ডের কংগ্রস শীর্ষ নেতা কাজী নিজামউদ্দিন সংবাদমাধ্যমে বলেন, উত্তরাখণ্ডের মানুষের বিশ্বাস ও ভরসা নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে বিজেপি। সাড়ে চার বছরে রাজ্যে একজন স্থায়ী মুখ্যমন্ত্রী বসাতে পারেনি তারা। ইতিমধ্যেই তিনজন মুখ্যমন্ত্রী পরিবর্তন করেছে৷ প্রসঙ্গত উত্তরাখণ্ডে এখনও পর্যন্ত তিনজন মুখ্যমন্ত্রী পরিবর্তন করেছে বিজেপি৷ চলতি বছরে মাত্র ৩৬ দিন আগে তীর্থ সিং রাওতকে সরিয়ে উত্তরাখণ্ডের নতুন মুখ্যমন্ত্রী মুখ হয়েছেন পুষ্কর ধামি। এ নিয়ে মন্তব্য করে কংগ্রেস নেতা বলেন যারা ৫ বছরে রাজ্যকে একটা স্থায়ী মুখ্যমন্ত্রী দিতে পারে না তারাকী করে উন্নয়ন করবে মানুষের!
উত্তরাখণ্ডের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বড় অংশের মতে বিজেপির জন্য ২০১৭ র মতো সহজ লড়াই লয় ২০২১ এ। আসন সংখ্যা কম হওয়ার পাশাপাশি ভয় রয়েছে রাজ্যে ক্ষমতাচ্যূত হওয়ার৷ বিশেষ করে প্রয়োজন মতো নিয়োগ না হওয়ায় রাজ্যের যুব সমাজ বিজেপির উপর অনেকটাই ক্ষুব্ধ। এখন দেখার ২০২২ এর আগে কতটা শক্তি নিয়ে ভোটের ময়দানে ঝাঁপাতে পারছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications