• search

মোবাইলের দোকান থেকে দেদার 'বিক্রি' মহিলাদের ফোন নম্বর, চাঞ্চল্য উত্তরপ্রদেশে

  • By Sritama Mitra
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    লখনউ, ৩ ফেব্রুয়ারি : উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন মোবাইলের দেকানে দেদার বিক্রি চলত মহিলাদের ফোন নম্বর। নম্বরের দাম ৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ধার্য করা হয়। মহিলাদের ছবি দেখিয়ে , গ্রাহকদের পছন্দ অপছন্দের ওপর নির্ভর করে ঠিক করা হয় দাম। এপর্যন্ত এরকম জঘন্য ঘটনার শিকার হয়েছেন উত্তরপ্রদেশ জুড়ে বহু মহিলা।[আসছে হোয়াটসঅ্যাপ-এর নতুন পরিষেবা]

    এই ঘটনার শিকার হয়ে, একাধিক বার ফোনে উত্যক্ত হওয়ার পর বহু মহিলা অভিযোগ জানান উত্তর প্রদেশের মহিলা হেল্প লাইন ১০৯০ নম্বরে। গত ৪ বছর ধরে ৬ লাখ অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর , শেষে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে এই সংক্রান্ত একটি চক্র। ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।[আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারির সবচেয়ে বড় শত্রু কে? জেনে নিন]

    মোবাইলের দোকান থেকে দেদার 'বিক্রি' মহিলাদের ফোন নম্বর, চাঞ্চল্য উত্তরপ্রদেশে

    জানা গিয়েছে, যে মোবাইলের দোকানে মহিলারা রিচার্জ করতে যান, সেই দোকানই তাঁদের ফোন নম্বর সংগ্রহ করে তা বিক্রি করে। নম্বরের খরিদ্দাররা, নম্বর নিয়ে বন্ধুত্ব পাতাবার প্রস্তাব দিয়ে ফোন করেন মহিলাদের। জানা গিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রেই মোবাইল রিচার্জের দোকানের লোকজন, গ্রাহকদের ভুয়ো পরিচয়পত্র দিয়ে 'সিম' কার্ড দেন। যার নথি তারা নিজেদের দোকানে রেখে দেন। সেখানে থেকে ছবি সংগৃহিত হয় মহিলা গ্রাহকদের।[ভোডাফোন ৩জি,৪জি ডেটা, আনলিমিটেড লোকাল-এসটিডি কলের নতুন প্যাক ঘোষণা]

    মহিলাদের এই ছবি দেখিয়ে, ৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামে ফোন নম্বর বিক্রি করেন মোবাইলের দোকান গুলো। মহিলাদের ফোন নম্বর নিয়ে যে শুধু, তাঁদের ফোনে উত্যক্ত করা হয়, তা নয়, হোয়াটস অ্যাপ- এও তাঁদের বিরক্ত করা হত বলে খবর।[১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এই টেলিফোন অপারেটরদের পরিষেবা বন্ধ হচ্ছে]

    English summary
    Mobile numbers of unsuspecting girls are being sold from recharge outlets across Uttar Pradesh for prices based on their looks and are being used by men to harass them over the phone, police say.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more