যোগী রাজ্যে ব্রাহ্মণদের অস্ত্র গণনা! বিতর্কিত নির্দেশ অস্বীকার সরকারের
বিধানসভায় অভিযোগটা তুলেছিলেন উত্তর প্রদেশের বিজেপির বিধায়ক দেবমনি দ্বিবেদী। অভিযোগ করেছিলেন ব্রাহ্মণ হত্যা নিয়ে। তাঁদের নিরাপত্তাহীনতা এবং হাতে থাকা অস্ত্রের সংখ্যা জানতে চেয়েছিলেন তিনি। এরপরেই
বিধানসভায় অভিযোগটা তুলেছিলেন উত্তর প্রদেশের বিজেপির বিধায়ক দেবমনি দ্বিবেদী। অভিযোগ করেছিলেন ব্রাহ্মণ হত্যা নিয়ে। তাঁদের নিরাপত্তাহীনতা এবং হাতে থাকা অস্ত্রের সংখ্যা জানতে চেয়েছিলেন তিনি। এরপরেই উত্তর প্রদেশ সরকার সব জেলাশাসকের কাছে চিঠি পাঠায়। সেখানে বলা হয় মোট ব্রাহ্মণের সংখ্যা, তাঁদের অস্ত্রের জন্য আবেদন এবং অস্ত্রের লাইসেন্সের সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়।

১৮ অগাস্ট চিঠি পাঠিয়েছিলেন আন্ডার সেক্রেটারি
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৮ অগাস্ট স্বরাষ্ট্র দফতরের আন্ডার সেক্রেটারি প্রকাশচন্দ্র আগরওয়াল সব তথ্য জানতে চেয়ে সব জেলাশাসককে চিঠি দেন। তাকে বলা হয় ২১ অগাস্টের মধ্যে তথ্য জমা দিতে হবে।

পরে পিছু হটে সরকার
এরপর স্বরাষ্ট্র দফতরের আন্ডার সেক্রেটারি প্রকাশচন্দ্র আগরওয়াল কিছু জানাতে অস্বীকার করলেও, অপর এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, সরকার এব্যাপারে পিছু হটেছে। ফলে চিঠির আর কোনও গুরুত্ব নেই। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, একটি মাত্র জেলা তথ্য পাঠিয়েছে সরকারের কাছে।

বিধানসভায় প্রসঙ্গ উত্থাপন বিজেপি বিধায়কের
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল উত্তর প্রদেশের সুলতানপুরের লাম্বুয়ার বিজেপি বিধায়ক দেবমনি দ্বিবেদী ১৬ অগাস্ট বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি প্রদীপ দুবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। বিধানসভার আইন অনুযায়ী সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। চিঠিতে বলা হয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কাছে প্রশ্ন করেছেন বিজেপি বিধায়ক দেবমনি দ্বিবেদী। গত তিন বছরে কত জন ব্রাহ্মণ মারা গিয়েছেন হামলায়, এক্ষেত্রে কতজন হামলাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কতজনকে জেলে পাঠানো হয়েছে, ব্রাহ্মণদের নিরাপত্তা দিতে সরকারের পরিকল্পনা কী, কতজন ব্রাহ্মণ অস্ত্রের জন্য আবেদন করেছেন, কতজনকে অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, এইসব প্রশ্ন করেছিলেন তিনি।

উত্তর প্রদেশে ভোটারদের ১০ শতাংশ ব্রাহ্মণ
উল্লেখ করা যেতে পারে উত্তর প্রদেশের ভোটারদের ১০ শতাংশ ব্রাহ্মণ। ফলে তাঁরা যে কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে থাকেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলিও তাঁদের পাশে রাখার চেষ্টা করে থাকে। বাদ যাননি বিএসপির মায়াবতীও। একদিকে মায়াবতী যখন বলছেন পরশুরামের নামে হাসপাতাল তৈরি করবেন, সেই সময় সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলছেন ১০৮ ফুটের স্ট্যাচু বানাবেন।












Click it and Unblock the Notifications