Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করতে উদ্যোগ কেন্দ্রের, বিল পেশ হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশনেই
Uniform Civil Code: ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুতে ইতিমধ্যেই সায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কেন্দ্রীয় সরকার ইউনিফর্ম সিভিল কোড যাতে চালু করা যায় সেজন্য সংসদের বাদল অধিবেশনেই বিল আনতে চলেছে বলে সূত্রের খবর।
আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। তার আগে এই বিল কেন্দ্র আনলে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সরব হবে। সেই আক্রমণের মুখে পড়ে কোন রণকৌশল নেওয়া হবে তা নিয়েও চলছে আলোচনা।

আগামী মাসের তৃতীয় সপ্তাহেই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু। এই বিলটি আনার পর তা সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটিতে পাঠানো হবে বলেই রাজনৈতিক মহলের অভিমত। ইউনিফর্ম সিভিল কোড বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর আগে কমিটি বিভিন্ন পক্ষের মতামত শুনবে।
ইতিমধ্যেই পার্সোনেল, পাবলিক গ্রিভান্স, আইন ও বিচার বিষয় পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটি ৩ জুলাই ডেকে পাঠিয়েছে ল কমিশন ও আইন মন্ত্রকের প্রতিনিধিদের। Uniform Civil Code লাগু হলে যাঁরা প্রভাবিত হবেন, সেই সব পক্ষের মতামত জানতে ল কমিশনের তরফেও বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।

অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার আগে বিভিন্ন পার্সোনাল ল খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ল অ্যান্ড পার্সোনেল বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটি আইন মন্ত্রকের ল প্যানেল, লিগ্যাল অ্যাফেয়ার ও লেজিসলেটিভ ডিপার্টমেন্টের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলবে। ল কমিশন গত ১৪ জুন যে পাবলিক নোটিশ জারি করেছিল সেই প্রেক্ষিতেই বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য জানার প্রক্রিয়া চলবে।
অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে সব ধর্মের মানুষের জন্য এক আইন থাকবে। এক দেশ এক আইনে সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে হিন্দু, মুসলিম, পার্সী, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মানুষজনের বিবাহ, উত্তরাধিকার-সহ বিভিন্ন বিষয়ক আইনের ক্ষেত্রে। অনেক পার্সোনাল ল উঠে গিয়ে তার জায়গায় আসবে ইউনিফর্ম সিভিল কোড।

ইতিমধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার বিরোধিতা করে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। তার মধ্যে অন্যতম মুসলিম সম্প্রদায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্প্রতি বলেছেন, স্পর্শকাতর বিষয়ে মুসলিমদের প্ররোচিত করা হচ্ছে। ভোপালে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর পক্ষেই সওয়াল করেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী।
ভোটব্যাঙ্কের কথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিরোধিতা করছে বলেই দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের। এক দেশে দুই সিস্টেম থাকার যৌক্তিকতা নিয়েও সরব হন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই সংক্রান্ত বিল আনলে বাদল অধিবেশনে যে ঝড় উঠবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।












Click it and Unblock the Notifications