মমতার উপস্থিতিতে যোগদান, পীযুষকান্তি সভাপতি হওয়ায় ত্রিপুরায় কী কী সুবিধা পাবে তৃণমূল

মমতার উপস্থিতিতে যোগদান, পীযুষকান্তি সভাপতি হওয়ায় ত্রিপুরায় কী কী সুবিধা পাবে তৃণমূল

সাড়ে তিনমাস পদ শূন্য থাকার পর ত্রিপুরা তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা পীযুকান্তি বিশ্বাসকে। তিনি বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগদান করেন দিল্লিতে। তারপর রবিবার তাঁর কাঁধে তুলে দেওয়া হয় তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব। এখন নির্বাচনের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে তাঁকে সভাপতি করে ত্রিপুরায় কী কী সুবিধা পাবে তৃণমূল, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

মমতার উপস্থিতিতে যোগদান, পীযুষকান্তি সভাপতি হওয়ায় ত্রিপুরায় কী কী সুবিধা পাবে তৃণমূল

সুবল ভৌমিকের অপসারণের পর ত্রিপুরা তৃণমূলের সভাপতি হিসেবে যে পীযুষকান্তি বিশ্বাস ছিলেন প্রথম পছন্দ, তা নিয়ে বহুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বুধবার তাঁর তৃণমূলে যোগদানের পর তা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়। আর রবিবার সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে পীযুষকান্তি বিশ্বাস হন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি।

২০১৬ সালে একবার ত্রিপুরায় ইউনিট গড়ে তুলেছিল তৃণমূল। তখনও কংগ্রেসের বিরধী দলনেতা তথা রাজ্য সভাপতি সুদীপ রায় বর্মনকে ভাঙিয়ে নিয়ে এসে তৃণমূলের পথ চলা শুরু হয়েছিল। তারপর তৃণমূলের ফুল টিম বিজেপিতে যোগ দিয়েছিল। এবারও কংগ্রেসকে ভেঙে তৃণমূল বিস্তার শুরু করেছে ত্রিপুরায়। ত্রিপুরায় নতুন সদস্য অনেক যোগদান করেছেন, অনেক নেতা এসেছেন ভিন্ন ভিন্ন দল থেকে। সবাইকে একই প্লাটফর্মে নিয়ে বিজেপির মতো শক্তির সঙ্গে লড়াই করতে পারেন এমন একজনের সন্ধানে ছিল তৃণমূল। শেষপর্যন্ত পীযুষকান্তি বিশ্বাসকে বেছে নিয়েছে তারা।

সুবল ভৌমিককে রাজ্য সভাপতি পদ থেকে অপসারিত করার পর অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুস্মিতা দেব। সাড়ে তিনমাস পর একেবারে ভোটের মুখে নয়া সভাপতি হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস বেছে নিল পীযুষকান্তি বিশ্বাসকে। কেন তাঁকে বেছে নেওয়া হল, রাজনৈতিক মহল মনে করছে, তাঁকে বেছে নেওয়ার পিছনে কিছু নির্দিষ্ট কারণ আছে। অঙ্ক কষেই তাঁর কাঁধে দায়িত্ব তুলে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।

সুবল ভৌমিকের অপসারণের পরই পীযুষকান্তি বিশ্বাসকে তৃণমূলে ভেড়াতে চেয়েছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুস্মিতা দেবরা। কিন্তু তথন তা সম্ভব হয়নি। তা সম্ভব করতে লেগে গেল সাড়ে তিন মাস। পীযুষকান্তি বিশ্বাস প্রাক্তন কংগ্রেসি। একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে তাঁর সুনাম রয়েছে ত্রিপুরায়। তাঁকে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার বড় কারণ হল- এই মুহূর্তে যাঁরা তৃণমূলে রয়েছেন, তাঁদের সবাইকে তিনি চেনেন। তিনি একটা সময় ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন। আর মূলত কংগ্রেসকে বেঙেই দল বাড়িয়েছে তৃণমূল। ফলে চেনা নেতাকে পেয়ে তাঁরা উজ্জীবিত হবেন। আর তাঁর হাতে পড়লে তৃণমূল দলটাও ফের চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

তিনি কংগ্রেস ছেড়ে ত্রিপুরা ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট তৈরি করেছিলেন ২০২১-এর অক্টোবরে। সেই পীযুষকে তৃণমূলে এনে সভাপতির দায়িত্ব দিয়ে তাঁর তৈরি ফ্রন্ট সদস্যদেরও তৃণমূল নিজেদের দিকে নিয়ে আসতে সমর্থ হয়েছে। ফলে ত্রিপুরায় তৃণমূল নিজেদের আরও বিস্তারলাভ করিয়েছে। তারপর পীযুষকান্তি ত্রিপুরা রাজ পরিবারের ঘনিষ্ঠ। তাঁকে দায়িত্ব দিলেন প্রদ্যোৎ মাণিক্য বর্মনের দল টিপ্রার সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে সমঝোতারও সুবিধা হবে বলে মনে করছে নেতৃত্ব। সেই আঙ্গিকে এবার তৃণমূল পা ফেলেছে বড় একটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে। এখন দেখার সেটা কতটা ফলপ্রসূ হয়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+