TMC: মঙ্গলে নির্বাচন কমিশনের 'ফুল বেঞ্চের' মুখোমুখি তৃণমূলের ১০ প্রতিনিধি, মান্যতা পাবে 'ভূতুড়ে ভোট' তত্ত্ব?
TMC CEC Meet: ভূতুড়ে ভোটার নিয়ে এবার সরাসরি অভিযোগ জানাতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করবেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। ১০ জনের প্রতিনিধি দল ১১ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় দিল্লিতে এই সাক্ষাৎ সারবেন। বৈঠক শেষে কমিশনের সদর গেটেই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের প্রতিনিধিরা।
তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে থাকবেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন, শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, বর্ধমান - দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কীর্তি আজাদ, উলুবেড়িয়ার সাংসদ সাজদা আহমেদ, বোলপুরের সাংসদ অসিত পাল, মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খান, রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ, সাকেত গোখলে ও প্রকাশ চিক বরাইক। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করবেন তারা।

ডুপ্লিকেট ইলেকটর্স ফোটো আইডেন্টিটি কার্ড তথা এপিক নম্বর নিয়ে তৃণমূলের অভিযোগ মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে জানাবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। শনিবার এমনটাই জানিয়েছেন ডেরেক। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি দলের মেগা সমাবেশ থেকে ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরাসরি তোপ দাগেন তিনি। বিজেপিকে কমিশন সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আর এবার সেই বিতর্কের মাঝেই কমিশনের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি হতে চলেছে মমতার দলের প্রতিনিধিরা।
ডেরেক জানান, "নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা সময় চেয়েছিলাম। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার আমাদের সঙ্গে সাক্ষাতে রাজি হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় উনি দেখা করবেন।" এপিক নম্বরে কারচুপির অভিযোগে সোমবার থেকে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে সংসদে সরব হতে চলেছে বিরোধীরা। একাধিক দল এনিয়ে সংসদে ঝড় তুলতে পারে বলে পূর্বাভাস। তাদের মধ্যে তৃণমূলই প্রথম দল যারা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বসে তাঁদের অভিযোগ জানাতে চলেছে।
তৃণমূলের দাবি, "ভোটার তালিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এপিক নম্বর। এপিক নম্বর ডুপ্লিকেট হলে তাতে করে ভোটাধিকার বঞ্চিত হবে। নির্বাচন কমিশনের হ্যান্ডবুকে স্পষ্টতই উল্লেখ রয়েছে, এপিক নম্বর আলাদা হতে হবে। দুটি আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটারের প্রথম তিনটে একই অক্ষর দিয়ে এপিক নম্বর হওয়া অসম্ভব। আবার আলাদা আলাদা রাজ্যের দুই ভোটারের দেখা যাচ্ছে একই এপিক নম্বর রয়েছে।" এব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের বিশদ ব্যাখ্যা চেয়ে সরব হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল।












Click it and Unblock the Notifications