• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

স্বামীর মৃত্যুর তিন বছর পরে সন্তানের জন্ম দিলেন বেঙ্গালুরুর মহিলা

তিন বছর আগে এক পথ দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন স্বামী। এতদিন পরে তাঁরই সন্তানের জন্ম দিলেন এক মহিলা। ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুতে। আধুনিক প্রযুক্তির দয়ায় এই অসাধ্যসাধন হয়েছে। যার ফলে মহিলা নিজের সন্তানের মুখ দেখতে পেয়েছেন।

স্বামীর মৃত্যুর তিন বছর পরে সন্তানের জন্ম দিলেন বেঙ্গালুরুর মহিলা

জানা গিয়েছে, পাঁচ বছর বিয়ে হয়েছিল দম্পতির। তবে শত চেষ্টা করেও সন্তানের জন্ম দিতে পারেননি তাঁরা। বহু চিকিৎসক দেখিয়েও ফল পাননি। পরে আধুনিক আইভিএফ প্রযুক্তির সাহায্য নেন। তবে যখন এই কর্মকাণ্ড চলছিল, তখনই ২০১৫ সালের অগাস্ট মাসে স্বামীর একটি পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়। সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় মহিলার জীবন।

এখন কীভাবে নিজের সন্তানের জন্ম দেবেন, এটাই ছিল মহিলার কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। স্বামীর মৃত্যুর পরও মহিলা তাই আইভিএফ পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে যান। তারপর এতদিনে সেই চিকিৎসার সুফল মিলেছে। মহিলা জানিয়েছেন, তিনি ও তাঁর স্বামী দুজনেই নিজেদের সন্তানের জন্ম দিতে চেয়েছিলেন। দুর্ঘটনার পর সবকিছু বদলে যায়।

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আইভিএফ পদ্ধতি চেষ্টা করার পরে সেটা প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যর্থ হয়। যার ফলে মহিলা অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। আইভিএফ ব্যর্থ হওয়ায় চিকিৎসকেরা তারপরে সারোগেসির পথে যান। তাতেই অবশেষে সাফল্য এসেছে।

মুম্বইয়ের হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তত্ত্বাবধানে গোটা ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি জানিয়েছেন, শেষ অবধি এই একটি পথই খোলা ছিল। যা খেটে গিয়েছে। মহিলার কোলে তাঁর নিজের সন্তান তুলে দিতে পেরে খুশি চিকিৎসকেরাও।

lok-sabha-home
English summary
Three-years after husband's death, woman becomes his child's mother
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more