রাজস্থানে তাপমাত্রা পেরিয়েছে ৪৫ ডিগ্রি! শীঘ্রই তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের
সারা দেশ জুড়েই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। এদিনও দেশের বহু অংশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ওপরে। এবার তুলনামূলক পূর্ব ভারতের তাপমাত্রাটা একটু বেশিই। বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা স্কাই মেটের দেওয়া তথ্য অনুসারে মঙ্গলবার রাজস্থানের বুন্দিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এবারে সর্বোচ্চ।
প্রয়াগরাজ এবং উত্তর প্রদেশের হামিরপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে পূর্ব ভারতে বাঁকুড়ায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বর্ধমানে ছিল ৪৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দিল্লিতে টানা চতুর্থ দিনেও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। কোনও কোনও ওয়েদার স্টেশনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রিল সেলসিয়াস বেশিই রয়েছে। মধ্যভারতের অনেক জায়গায় পরিস্থিতি একইরকমের।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে বুধবারেও দেশের বিভিন্ন অংশে তাপপ্রবাহ চলছে। এদিন কিছু রাজ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রির আশপাশে কিংবা তা পেরিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। হরিয়ানার হিসারে এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পঞ্জাবের ভাতিণ্ডায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি, অমৃতসরে ৩৬.৬ ডিগ্রি এবং পাতিয়ালার ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

হরিয়ানা ও পঞ্জাবের রাজধানী চণ্ডীগড়ে মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই দুই রাজ্যেই গত এক সপ্তাহ ধরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই ওপরে রয়েছে।
মঙ্গলবারের পরে বুধবারেও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটাই ওপরে রয়েছে। রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলিতে এদিনও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। এছাড়াও রাজ্যের অনেক জায়গাতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে।
মঙ্গলবার পটনায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই মরসুমের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া বাঙ্গা, জামুই, নওয়াদা, খাগরিয়ায় তাপমাত্রা ছিল ৪৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতিতে সরকারি তরফে সকাল ১০.৪৫-এর পর সব স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে কাজ বন্ধ রাখার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে এরই মধ্যে আবহাওয়া দফতরের তরফে স্বস্তির বার্তা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, পশ্চিম হিমালয়ে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় হয়েছে। যার জেরে উত্তর-পশ্চিম ভারতের সমতলভূমিতে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। যা তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থেকে কিছুটা হলেও রেহাই দেবে।
আবহাওয়া দফতর সর্বশেষ স্ট্যাটেলাইট ও র্যাডার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, পঞ্জাব, হরিয়ানা, জম্মু ও কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশের ওপরে মেধের গতিবিধি রয়েছে। যেখান থেকে বজ্রপাত, দমকা হাওয়া-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে ২০ এপ্রিলের মধ্যে পঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি ও রাজস্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডেও বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications