বেধড়ক মার ছাত্রকে, এরপর স্কুলের বারান্দা থেকে ছাত্রকে ফেললেন শিক্ষক! মার মাকেও
ভালো পড়াশুনার জন্যে অভিভাবক তাঁদের বাচ্চাদের স্কুলে পাঠায়! আর সেখানে শিক্ষকদের বড় একটা দায়িত্ব থাকে। একদিকে সঠিক ভাবে পড়াশুনা করানো অন্যদিকে বাচ্চাদের সুরক্ষার বিষয়টিকেও মাথায় রাখতে হয় স্কুল কতৃপক্ষকে। কিন্তু সম্প্রতি দে
ভালো পড়াশুনার জন্যে অভিভাবক তাঁদের বাচ্চাদের স্কুলে পাঠায়! আর সেখানে শিক্ষকদের বড় একটা দায়িত্ব থাকে। একদিকে সঠিক ভাবে পড়াশুনা করানো অন্যদিকে বাচ্চাদের সুরক্ষার বিষয়টিকেও মাথায় রাখতে হয় স্কুল কতৃপক্ষকে। কিন্তু সম্প্রতি দেশের একাধিক স্কুলে এমন কিছু ঘটনা সামনে আসছে যা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

আর সেই বিতর্কের মধ্যেই ভয়ঙ্কর এক ঘটনার সাক্ষী দেশ।
জানা যাচ্ছে, এক শিক্ষক চতুর্থ শ্রেনির এক ছাত্রকে প্রথমে বেধড়ক মারধর করে। শুধু তাই নয়, একতলা থেকে ফেলে দেওয়ারও অভিযোগ ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সামনে আসছে। আর এই ঘটনায় ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে কর্নাটকের একটি সরকারি স্কুলে।
স্কুলটির নাম হাদালি গ্রামে আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয় বলে জানা যাচ্ছে। জানা যাচ্ছে, অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মুথাপ্পা বলে জানা যাচ্ছে। চুক্তিভিত্তিক হিসাবে ওই শিক্ষককে সম্প্রতি কাজে নিয়োগ দেওয়া হয়। যদিও এই ঘটনার পরেই নিখোঁজ ওই শিক্ষক। তাঁর খোঁজে ইতিমধ্যে তল্লাশি শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।
অভিযুক্তকে জাতে দ্র্যত গ্রেফতার করা যায় সেই সংক্রান্ত নির্দেশ সরকারি স্তরে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
জানা যাচ্ছে, ওই স্কুলেই শিক্ষিকা হিসাবে কর্মরত মৃত ওই ছাত্রের মা। যখন তাঁর ছেলেকে ওই শিক্ষক মারধর করছিল সেই সময়ে তিনি ছুটে যান। এবং তাঁকে আটকানোর চেষ্টা করেন। কিন্ত্য ছেলেকে বাঁচাতে পারিনি। বরং ওই শিক্ষিকাও শিক্ষক বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। তাতে গুরুতর আহত হন তিনি।
নিহত ওই ছাত্রের মাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রকে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক প্রথমে বেলচা দিয়ে মারধর করে। এবং পরে স্কুলের বিল্ডিং থেকে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। আর তাতে ব্যাপক ভাবে আঘাত লাগে ছাত্রের একাধিক জাউগাতে। কার্যত আশঙ্কাজনক অবস্থাতেই স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ওই ছাত্রকে।
কিন্ত্য এতটাই পরিস্থিতি জটিল ছিল তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্রশ্নের মুখে স্কুলে পড়ুয়াদের সুরক্ষাও।












Click it and Unblock the Notifications