মমতার মহাজোটে থাকা নিয়ে নিজেদের মধ্যেই জোর লড়াই তিন বড় দলের
অন্ধ্র ও তেলাঙ্গানায় বিরোধী জোটে একজন থাকলে বাকীদের সরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্ধ্রপ্রদেশ ভেঙে দুটি রাজ্য হয়েছে। তেলাঙ্গানাকে আলাদা রাজ্য করে দেওয়া হয়েছে। ফলে দুই রাজ্যেই আলাদা দল সরকারে রয়েছে। তাদের ভাবনাও আলাদা। একদিকে যেমন রয়েছে তেলুগু দেশম পার্টি, অন্যদিকে তেমন রয়েছে তেলাঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি। এছাড়াও রয়েছে ওয়াইএসআর কংগ্রেস। এই তিন দলের কারও একে অপরের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ নেই। ফলে বিরোধী জোটে একজন থাকলে বাকীদের সরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

হাজির চন্দ্রবাবু
এই যেমন মমতার ব্রিগেডে হাজির হয়েছিলেন টিডিপি নেতা তথা অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইড়ু। ব্রিগেডে দাঁড়িয়ে মোদী সরকারকে বদলের ডাক দিয়ে গিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি মমতার ডাকে সাড়া দিয়ে সকলে মিলে যে ঝাঁপিয়ে পড়তে চলেছেন সেটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

ভাবনায় কেসিআর-জগন্মোহন
এই একই বাসনা রয়েছে ওয়াইএসআর কংগ্রেস নেতা জগন্মোহন রেড্ডি ও টিআরএস প্রধান কে চন্দ্রশেখর রাও-এরও। তবে দুজনের কেউই মমতার সভায় আসতে পারেননি। একা এসেছেন শুধু চন্দ্রবাবু নাইড়ু।

সম্পর্ক আদায়-কাঁচকলায়
কেসিআর ও চন্দ্রবাবুর আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক। চন্দ্রবাবু কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে লড়াই করেছেন তেলাঙ্গানায়। কেসিআর-কে সরানোর ডাক দিয়েছেন। ফলে কেসিআর কংগ্রেস ও টিডিপির জোটে থাকতে রাজি নন।

জগন্মোহনের আপত্তি
এদিকে জগন্মোহনও টিডিপির-র বিরুদ্ধে লড়তে টিআরএসের সঙ্গে জোট করতে এগিয়েছিলেন। তবে সেই জোট ভেস্তে গিয়েছে। ফলে টিআরএস দেখলেই মুখ বেঁকিয়ে নিচ্ছেন জগন্মোহন। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন কেসিআর এর সঙ্গে জোট নয়, তাঁর দল একা লড়াই করবে।

কী করবে বিরোধী জোট
এই অবস্থায় বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভোটে বিজেপি বিরোধিতার কথা বললেও তা কতটা কার্যকর হবে শেষ অবধি তা নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। এরপরে বিরোধী মহাজোট দিল্লি, অন্ধ্রপ্রদেশে সভা করবে। সেখানে কোন চিত্র দাঁড়ায় সেটাই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications