করোনা বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন দিশা দেখাচ্ছে যক্ষ্মার টিকা, তৃতীয় পর্বের মানব ট্রায়ালেও সাফল্য
করোনা বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন দিশা দেখাচ্ছে যক্ষ্মার টিকা, তৃতীয় পর্বের মানব ট্রায়ালেও সাফল্য
ইতিমধ্যেই ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৫ লক্ষ ছুঁই ছুঁই। মারা গেছেন প্রায় ৪৯ হাজারের কাছাকাছি মানুষ। এদিকে করোনা টিকা আবিষ্কার নিয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা চালিয়া যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। এই ক্ষেত্রে খানিক ভরসা যোগাচ্ছে রাশিয়ার প্রথম করোনা ভ্যাকসিন। পাশাপাশি পুনের সিরাম ইনস্টিটিউটও জানিয়েছে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই ভারতীয় বাডারে আসবে করোনা টিকা। এমতাবস্থায় করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন দিশা দেখাচ্ছে টিবি ভ্যাকসিন।

করোনা সঙ্কটে আশা যোগাচ্ছে ভিপিএম-১০০২
কোভিড -১৯-র বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারী হিসাবে ভিপিএম-১০০২ নামের যক্ষ্মা প্রতিষেধক কার্যকরী ভূমিকা নিচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। ইচিমধ্যেই করোনা ঠেকাতে জার্মানিতে পরিচালিত তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিকাল পরীক্ষায় আশাব্যাঢ্জক ফল এসেছে এই ভ্যাকসিনের হাত ধরে।

সিরাম ইন্সটিটিউটের সঙ্গে চুক্তি বার্লিনের সংস্থার
এই ক্ষেত্রে ভারতের পক্ষে সবচেয়ে উত্সাহজনক বিষয় হল করোনা ঠেকাতে কার্যকরী প্রতিষেধক হিসাবে এই টিবি ভ্যাকসিন ছাড়পত্র পেলে ভারতে দ্রুত তার ব্যবহার শুরু করা যাবে বলে জানা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, পুনে ভিত্তিক বায়োটেকনোলজি সংস্থা সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া ইতিমধ্যেই এই ভ্যাকসিনের উত্পাদক সংস্থার সঙ্গে এর ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় চুক্তি সেরে রেখেছে বলে জানা যাচ্ছে।

জার্মানির কোন কোন অঞ্চলের মানুষের উপর এই ভ্যাকসিনের প্রয়োগ করা হয় ?
সূত্রের খবর, বর্তমানে বার্লিন ভিত্তিক ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর ইনফেকশন বায়োলজি এবং ভ্যাকজাইন প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট (ভিপিএম) সংস্থাই এই ট্রায়াল চালাচ্ছে। বার্লিন, হামবুর্গ, এরফুর্ট, হ্যানোভার এবং মিউনিখের মানুষদের উপরই প্রাথমিক পর্যায়ের এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালানো হয় বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে তৃতীয় পর্বের ট্রায়ালের জন্য ১২০০ স্বাস্থ্য সেবা কর্মী ও ২২০০ প্রবীণ নাগরিককে বাছা হয় বলে জানা যাচ্ছে।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র উঠে আসছে
এদিকে ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যক্ষ্ণার বিসিজি ভ্যাকসিন প্রয়োগে ভিন্ন চিত্র ধরা পড়েছে। মার্কিন মুলুক সহ নেদারল্যান্ডস ও অস্ট্রেলিয়ায় যক্ষ্মার বিসিজি প্রতিষেধকের পরীক্ষামূলক প্রয়োগও চালু হয়েছে ইতিমধ্যে। এখনও পর্যন্ত বিশ্বের কয়েক কোটি মানুষ পোলিও ও যক্ষ্মার প্রতিষেধক ব্যবহারে উপকৃত হয়েছেন বলে জানাচ্চেন বিশেষজ্ঞরা। গবেষকদলের তরফে জানান হয়েছে, করোনাকে আটকানো নয়, এই প্রতিষেধক প্রয়োগ করে রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতাকে শক্তিশালী করাই তাদের উদ্দেশ্য। এদিকে বিসিজি ভ্যাকসিন প্রয়োগের ফলে যেমন মৃত্যুর সংখ্যা কম চোখে পড়েছে, তেমনই ব্রাজিলের মত দেশে বিসিজি ভ্যাকসিন ব্যবহার করা সত্ত্বেও মৃতের সংখ্যায় লাগাম পড়ানো যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications