গুজরাত পোরবন্দরের কাছে সন্দেহজনক ইরানি বোট, তল্লাশি চালাতেই চক্ষু চড়কগাছ
বড়সড় সাফল্য পেল এটিএস ও এনসিবি। গুজরাতের পোরবন্দরের কাছে একটি ইরানি বোটের অবস্থান দেখা যায়। সেই বোটটির অবস্থানও সন্দেহজনক মনে হয়েছিল৷ শুরু হয় তদন্ত, তল্লাশি অভিযান। আর তল্লাশির পরেই বেরিয়ে পড়ে বিপুল পরিমাণ মাদক।
আন্তর্জাতিক মাদক পাচার চক্রের হদিশ পাওয়া গেল। গোপন সূত্রে খবর এসেছিল তদন্তকারীদের কাছে। তারপরেই তদন্ত করতে নামে এটিএস। তার সঙ্গে ছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। জলপথে তল্লাশি অভিযান চালানো হবে৷ সেজন্য নৌবাহিনীর সাহায্যও চাওয়া হয়৷

প্রতীকী ছবি
নৌবাহিনী, এটিএস ও এনসিবি এক যোগে তল্লাশি অভিযানে নামে। দীর্ঘ দিন পর সমুদ্র উপকূল এলাকায় বড় অভিযান হল বলে খবর৷ পোর বন্দর উপকূল এলাকায় এই অভিযান চলে৷ সেখানেই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার হল৷ উদ্ধার হওয়া মাদকের পরিমাণ ৫০০ কেজি।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই অভিযান সংঘটিত করা হয়৷ জলপথে আগে থেকেই নজরদারি ছিল৷ এছাড়াও আরও নজর বাড়ানো হয়। একটি ইরানি বোট আরব সাগরে দেখা যায়। এক সময় সেটি ভারতীয় জল সীমানায় ঢোকে৷ তদন্তকারীরা ওই বোটটিকে চেজ করে৷ বোটটিকে থামিয়ে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।
খানিক পরেই ওই বিপুল পরিমাণ মাদক বেরিয়ে পড়ে। হেরোইন সহ একাধিক মাদক পাওয়া যায়। ৫০০ কেজি মাদক উদ্ধার হয়েছে। ভারতে এর বাজার দর কয়েকশো কোটি টাকা। এই বিপুল পরিমাণ মাদক, ভারত সহ আশপাশের অন্যান্য দেশে পাচারের সম্ভাবনা ছিল। শহরে এই মাদক ঢুকত। তারপর আন্তর্জাতিক পাচার রুটে সেগুলি চলে যেত। তদন্তকারীরা মনে করছেন এই কথা।
এই অভিযানটির জন্য কয়েক মাস ধরে গোয়েন্দারা তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। ভারতীয় নৌবাহিনী সহ গুজরাত এটিএস, এনসিবি একে অপরের সঙ্গে তথ্য দেওয়া নেওয়া করে।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় গড়ে ওঠে। আর তারপরেই গতকাল রাতে এই অভিযান। ইরানি বোটের থেকে ওই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার। এমনই জানিয়েছেন গুজরাত এটিএস- এর একজন সিনিয়র অফিসার।












Click it and Unblock the Notifications