উত্তরপ্রদেশে লকডাউন নিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ, সুপ্রিম রায়ে স্বস্তিতে যোগী সরকার
উত্তরপ্রদেশে লকডাউন নিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ, সুপ্রিম রায়ে স্বস্তিতে যোগী সরকার
এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল যোগী সরকার। সেখানে পুরনো রায়ে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের বেলাগাম সংক্রমণের জেরে গোটা উত্তরপ্রদেশ জুড়ে উঠেছে মৃত্যুর ঝড়। আর এই সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে সোমবারই প্রয়াগরাজ, বারাণসী, লখনউ, কানপুর ও গোরখপুরে কড়া লকডাউন জারির নির্দেশ দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই মঙ্গলবার সকালেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল যোগী প্রশাসন।

মঙ্গলবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের এজলাসে হাজির হয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা যোগী প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন নিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশ খারিজের দাবি জানান। এরপরেই সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে এলাহাবাদ হাইকোর্টের পুরনো রায়ে স্থগিতাদেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তবে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ৫ শহরেই কড়া করোনা বিধি জারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু কড়া করোনা বিধিকে কোনোভাবেই 'সম্পূর্ণ লকডাউন’ বলা যাবে না তাও এদিন পরিষ্কার করে দেওয়া হয় সুপ্রিম কোর্টের তরফে।এদিকে লকডাউন প্রসঙ্গে যোগী সরকারের মত করোনাভাইরাস মোকাবিলায় একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। লকডাউন কোনও সমস্যার সমাধান নয়। সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকার স্বার্থে সম্পূর্ণ লকডাউন জরুরি নয়। আর তাছাড়া লকডাউনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণই প্রশাসনের এক্তিয়ারভুক্ত। হাইকোর্টের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।
এদিন সুপ্রিম কোর্টে এই দাবিই জারালো ভাবে রাখেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। আর তাতেই কাজ হয় বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এদিকে সোমবার উত্তরপ্রদেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩০ হাজার জন। বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। ইতিমধ্যে পার্শ্ববর্তী দিল্লিতে করোনা সংক্রমণ রুখতে ছ'দিনের জন্য লকডাউন পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে। কার্ফু চলছে মহারাষ্ট্রেও।












Click it and Unblock the Notifications