অপরাধীদের ভোটে দাঁড়াতে বাধা দেবে না সর্বোচ্চ আদালত! রাজনীতিতে কি ফিরছে কলঙ্কিত অধ্যায়
অভিযুক্তদের ভোটে দাঁড়ানোয় বাধা দিতে নারাজ সুপ্রিম কোর্ট। এবিষয়ে সংসদকেই আইন তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রাজনীতিতে অপরাধীদের প্রবেশ দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতের তরফে।
অভিযুক্তদের ভোটে দাঁড়ানোয় বাধা দিতে নারাজ সুপ্রিম কোর্ট। এবিষয়ে সংসদকেই আইন তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রাজনীতিতে অপরাধীদের প্রবেশ দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতের তরফে। সুপ্রিম কোর্টের মঙ্গলবারের রায়ে অপরাধীদের ভোটে দাঁড়ানোয় আর কোনও বাধা রইল না।

মামলা নিয়ে রায় দেওয়ার সময় প্রধান বিচারপতি দুর্নীতিকে 'জাতীয় অর্থনীতিতে সন্ত্রাস' বলে বর্ণনা করেন। সুপ্রিম কোর্টের তরফে বলা হয়েছে, মনোনয়ন পেশের পর রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীরা অপরাধ রেকর্ড সম্পর্কে খবরের কাগজ এবং টিভি চ্যানেলে অন্তত যেন তিনবার বিজ্ঞপ্তি দেয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে অপরাধী মুক্ত রাখতে একাজ সাহায্য করবে বলে মনে করছে সর্বোচ্চ আদালত।
এ সম্পর্কে ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, ভোটদাতাদেরও জানার অধিকার রয়েছে, তাঁদের প্রার্থীরা অতীতে কোনও অপরাধের যুক্ত হয়েছিলেন কিনা।
প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র ছাড়াও পাঁচ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চের বাকি সদস্যরা হলেন, বিচারপতি আরএফ নরিম্যান, বিচারপতি এএন খানউইলকার, বিচাপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রা। কেন্দ্রের হয়ে এই মামলায় প্রতিনিধিত্ব করেন অ্যাটর্নি জেনারেল কেকে ভেনুগোপাল।
বর্তমানে খুন, ধর্ষণ কিংবা অপহরণের সঙ্গে যুক্তরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন না।
আইনসভার সদস্যদের সদস্যপদ বাতিল করতে একাধিক আবেদন জমা পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। তবে তার বিরোধিতা করেছিল কেন্দ্র।
মার্চে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে সরকার জানিয়েছিল, সাংসদ-বিধায়ক-সহ ১৭৬৫ জন জন প্রতিনিধির মধ্যে এক তৃতীয়াংশের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলা রয়েছে।
২০১১ সালে সর্বোচ্চ আদালতে অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ভোটে দাঁড়াতে বাধা দিতে আবেদন জানিয়েছিল পাবলিক ইন্টারেস্ট ফাউন্ডেশন নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। ঘৃণ্য অপরাধের যুক্ত হওয়া থেকে শুরু করে পাঁচবছর কিংবা তার বেশি সময় জেল খাটা অপরাধীদের ভোট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের বিরোধিতা করা হয়েছিল সেই আবেদনে।












Click it and Unblock the Notifications