নির্দিষ্ট সময়ে জবাবী হলফনামা জমায় ব্যর্থ! সুপ্রিম কোর্টের জরিমানার কবলে মোদী সরকার
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাবী হলফনামা জমা করতে পারেনি কেন্দ্রীয়. সরকার। সেই কারণে সুপ্রিম কোর্টের তরফে সরকারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, শিক্ষাবিদদের একাংশ ইলেকট্রনিক ডিভাইস অনুসন্ধান এবং বাজেয়াপ্ত
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাবী হলফনামা জমা করতে পারেনি কেন্দ্রীয়. সরকার। সেই কারণে সুপ্রিম কোর্টের তরফে সরকারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, শিক্ষাবিদদের একাংশ ইলেকট্রনিক ডিভাইস অনুসন্ধান এবং বাজেয়াপ্ত করতে নির্দেশিকা প্রণয়নের দাবি করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন। এব্যাপারে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে পারেনি সরকার।

গত অগাস্টে সরকার এব্যাপারে হলফনামা জমা দিয়েছিল। কিন্তু আদালত তাতে সন্তুষ্ট হয়ে পারেনি। সেই কারণে ছয় সপ্তাহের মধ্যে ফের হলফনামা জমা দিতে বলে। সরকার তা জমা দিতে পারেনি। সেই কারণে জরিমানা ধার্য করার পরে শুক্রবার বিচারপতি সরকারকে ২ সপ্তাহ সময় ধার্য করেছেন।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের অফিসে অভিযান চালিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। সেখান থেকে ফোন, কম্পিউটার, আইপ্যাড বাজেয়াপ্ত করা হয়। এগুলিকে একটি নিরপেক্ষ জায়গায় রাখার কথাও বলা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন দাখিল করে ফাউন্ডেশন ফর মিডিয়া প্রফেশনাল। সেখানে বলা হয়, বর্তমান আইনে ডিজিটাল ডিভাইসগুলি বাজেয়াপ্ত করায় পুলিশের ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কিছু বলা নেই। এই দুই আবেদন সুপ্রিম কোর্টের সামনে বিবেচনাধীন থাকায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করার ক্ষেত্রে আরও সুরক্ষা থাকা উচিত।
বর্তমান আইনে ডিজিটাল ডিভাইসগুলি দুই সাক্ষীর উপস্থিতিতে বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং সিল করা হয় যাতে তা পরিবহণের সময় ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এরপর এর মিরর ইমেজ তৈরির অনুরোধ করে ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবে পাঠানো হয়। তবে হেফাজতে থাকার সময় এব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। জিনিসটি বাজেয়াপ্ত করার পরে, তাতে সিলমোহর দেওয়া এবং ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানোর ক্ষেত্রে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ না করলে তথ্যে কারচুপির সুযোগ থাকে। যে কারণে আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলিতে ডিজিটাল ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করার ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর রয়েছে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
দেশের প্রতিষ্ঠিত আইনজীবীরা বলছেন, ডিজিটাল সাক্ষ্য যেমন নিশ্চিত করে অভিযুক্তের দোষ প্রতিষ্ঠা করতে পারে, আবার তাকে টেম্পার কিংবা পরিবর্তন করাও অনেক সহজ। এক্ষেত্রে একজন নিরাপরাধ ব্যক্তি যাতে অন্যায়ভাবে দোষী সাব্যস্ত হয়ে না পড়েন সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হয়।












Click it and Unblock the Notifications