বিজেপির যত গলদ সংগঠনেই! নতুন পরিকল্পনা নিয়ে রাজ্যে আসছেন বনসল, সঙ্গে আসবেন সংগঠনের আরেক নেতা
বিজেপির যত গলদ সংগঠনেই! নতুন পরিকল্পনা নিয়ে রাজ্যে আসছেন বনসল, সঙ্গে আসবেন সংগঠনের আরেক নেতা
রাজ্যের দায়িত্ব পাওয়ার একমাসের মধ্যে কলকাতায় এসে তিনদিনের প্রশিক্ষণ শিবির করে গিয়েছেন সুনীল বনসল (Sunil Bansal)। নতুন-পুরনো সবাইকে নিয়ে কাজ করার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্যে নেতা বেশি কর্মী কম জাতীয় মন্তব্যও নাকি তিনি করেছিলেন বলে সূত্রের খবর। সব থেকে যে বড় সমস্যা তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন, তা হল পুরনো নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ। এছাড়াও কিছু বিজেপি (BJP) নেতার বিরুদ্ধে স্বজনপোষণেরও অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির নবান্ন অভিযান শেষ হলে ফের রাজ্যে এসে একেবারে তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দলের কর্মীদের ক্ষোভ নিরসনে বনসল চেষ্টা করবেন বলে জানা গিয়েছে।

জেলা সফর করবেন নেতারা
বঙ্গ বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। এছাড়াও দলের সংগঠনের নেতা সতীশ ধন্দকেও নয়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আপাতত রোগ নির্ণয় করেছেন সুনীল বনসল। তবে ওষুধ দিতে হলে যে বুথ স্তরে গিয়ে কাজ করতে হবে, তা ভাল করেই জানেন অমিত শাহ- জেপি নাড্ডাজের কাছের লোক বলে পরিচিত বনসল। সেই কারণে ১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানের পরেই সংগঠনের বসে যাওয়া নেতাদের ক্ষোভ নিরসনে জেলা সফর করবেন সুনীল বনসল এবং সতীশ ধন্দের মতো নেতারা। সংগঠনের দুর্বলতার কারণও তাঁরা খুঁজ়বেন বলে জানা গিয়েছে। এব্যাপারে যে রিপোর্ট তৈরি হবে, তা সরাসরি দলের সভাপতি জেপি নাড্ডার কাছে পাঠাবেন তিনি।

সংগঠনে কাজ দেখাতে হবে
রাজ্যে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা ৪২ টি। রাজ্যে এসে প্রশিক্ষণ শিবিরের ফাঁকে সব জেলা সভাপতিদের সঙ্গে কথা বলেছেন সুনীল বনসল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তিনি স্পষ্ট করে গিয়েছেন, জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বেস কয়েকমাস হয়ে গিয়েছে। এবার তাঁদেরকে কাজ দেখাতে হবে। সূত্রের আরও খবর বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো বেশ কয়েকটি জেলার সভাপতিদের কাজে যে তিনি খুশি নন. তা তিনি জানিয়ে দিয়েছেন।

তৈরি নিচু তলার নেতারাও
সূত্রের খবর অনুযায়ী, সুনীল বনসল জেলা সভাপতিদের, তাদের জেলায় শক্তিকেন্দ্র গঠন নিয়ে প্রশ্ন করেন। অনেকেই অসহযোগিতার ক্ষেত্রে আগের কমিটির গিকে আঙুল তুলেছেন। এই উত্তর খুশি করতে পারেনি বনসলকে। দলের নবান্ন অভিযান হয়ে গেলেই বিভিন্ন জেলায় গিয়ে পরিস্থিতি সম্পর্কে সরাসরি পর্যালোচনা করবেন তিনি। অন্যদিকে দলের জেলার নেতারাও তৈরি হয়ে রয়েছেন। তাঁরাও দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সামনে তাঁদের অবস্থানের কথা জানাবেন।

পুরনো কৌশল নিয়ে পরিকল্পনা
রাজ্যে বিজেপির সংগঠন বলতে এতটা সময় কিছু ছিল না। সেই সংগঠন গড়ে তুলতে প্রথমে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে এবং পরে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী রাজনৈতিক দল বিশেষ করে তৃণমূল থেকে বহু নেতাকর্মী বিজেপিতে যোগ দেন। যদিও ২০২১-এর নির্বাচনে বিজেপি ধাক্কা খাওয়ায় নেতা কর্মীরা বিজেপিকে ধাক্কা দিয়ে তৃণমূলে ফিরে যান। সেই পরিস্থিতি দাঁড়িয়েও অন্য দল থেকে নেতা-কর্মী আনার পক্ষেই মত দিয়েছেন সুনীল বনসল।
-
বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে ভোটের আগে বিতর্ক, তৃণমূল প্রার্থীর শংসাপত্র নিয়ে হাই কোর্টে বিজেপি প্রার্থীর চ্যালেঞ্জ -
নওদায় তৃণমূলের সভাস্থলে বিশৃঙ্খলা, চেয়ার ছোড়াছুড়ি, অভিষেক আসার আগেই বিক্ষোভ -
পুরুলিয়ায় মমতার ঝড়, অমিত শাহকে স্বৈরাচারী আখ্যা দিলেন মমতা -
অঙ্গ কলিঙ্গের পথে এবার বঙ্গও, পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজেপি সরকার গড়ার ডাক অমিত শাহের -
বাংলায় বিজেপি নাকি তৃণমূল, কারা গড়বে সরকার? কী বলছে সাম্প্রতিক জনমত সমীক্ষা -
সকালেই বিজ্ঞপ্তি, রাতের মধ্যেই মনোনয়ন জমা, রাজ্যে ভোটের আবহে তৎপর প্রার্থীরা -
এপ্রিলে ‘সঙ্কল্পপত্র' প্রকাশে প্রস্তুত বিজেপি, উন্নয়ন ও বদলের প্রতিশ্রুতিতে ভরসা জাগানোর চেষ্টা -
ধাপে ধাপে প্রকাশ ভোটার তালিকা, চতুর্থ অতিরিক্ত তালিকায় ২ লক্ষ নাম, বাদের সংখ্যা এখনও ধোঁয়াশায় -
বিধানসভা ভোটের সময় সূচি নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করল নির্বাচন কমিশন, জানুন বিস্তারিত -
মমতার প্রচার বন্ধে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, পাল্টা তৃণমূলের কটাক্ষ: ভয়েই মরিয়া পদক্ষেপ -
আজই কী ইস্তফা? দুই দশকের অধ্যায় শেষ করে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ছেন নীতীশ কুমার, কারণ কী? জল্পনা তুঙ্গে -
রাজ্যসভায় জয়, তবু ইস্তফায় দেরি, স্পিকারকে অপেক্ষায় রেখেই বিহার ছাড়লেন নিতিন নবীন












Click it and Unblock the Notifications