• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

অশোক গঙ্গোপাধ্যায়কে পুরনো পদে ফেরাতে হবে, সওয়াল স্বামীর

  • By Ananya Pratim
  • |

ছবি
নয়াদিল্লি, ১৩ জুলাই: দোষ প্রমাণিত হয়নি। তবু মিডিয়ার বিচারেই 'খলনায়ক' হয়ে পদ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। এখনও অপবাদ মাথায় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অশোককুমার গঙ্গোপাধ্যায়কে পুরনো পদে ফিরিয়ে আনতে সওয়াল করলেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অশোককুমার গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছিল। জনৈকা তরুণী দাবি করেছিলেন, অন্তত এক বছর আগে ২০১২ সালে দিল্লির একটি হোটেলে অশোকবাবু তাঁর শ্লীলতাহানি করেন। তখন তিনি ইন্টার্নশিপ করছিলেন। অশোকবাবু তাঁকে নাকি জোর করে মদ খাইয়ে দেন এবং ঘনিষ্ঠ হন। এর জেরে উত্তাল হয় দেশ। অশোকবাবুকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনও সুযোগই দেওয়া হয়নি। তৎকালীন ইউপিএ সরকার ক্রমশ চাপ তৈরি করে তাঁর ওপর। পশ্চিমবঙ্গ সরকারও লাগাতার বিবৃতি দিয়েছিল অশোককুমার গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। উপযুক্ত প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও নিজেদের 'এক নম্বর' দাবি করা একটি সর্বভারতীয় মিডিয়া গোষ্ঠী অশোকবাবুর বিরুদ্ধে রসালো গল্প পরিবেশন করা শুরু করে। এমনকী, প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েও রেহাই মেলেনি। ওই মিডিয়া গোষ্ঠীর অন্তর্গত টিভি চ্যানেলের সাংবাদিক তাঁর পিছু ধাওয়া করে শ্লীলতাহানির ঘটনার ব্যাপারে জানতে চান। ফলে মিডিয়ার বিচারেরই যেন তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন!

আইনজীবীদের একাংশ বলেছিলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি থাকাকালীন তিনি টু-জি কেলেঙ্কারি মামলায় ইউপিএ সরকারের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছিলেন। তাই তারা সুযোগ বুঝে প্রতিশোধ নেয়। আর অম্বিকেশ মহাপাত্র মামলা, শিলাদিত্য চৌধুরী মামলায় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মানবাধিকার কমিশন রায় দিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত সরকারের বিরুদ্ধে। সেই আক্রোশ মেটাতেই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস সুযোগ বুঝে তাঁর পিছনে লেগে পড়ে বলে অভিযোগ।

এই ইস্যুগুলি তুলেই সুব্রহ্মণ্যম স্বামী বলেছেন, ওই তরুণী শুধুই নিজের ব্লগে শ্লীলতাহানির কথা লিখেছেন। অথচ পুলিশের তরফে বারবার যোগাযোগ করা হলেও এফআইআর করেননি। সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর দাবি, আসলে এফআইআর করলে আদালতে আইনজীবীদের জেরার মুখে পড়তে হবে তরুণীকে। তাতে সব 'চক্রান্ত' ফাঁস হয়ে যাবে। অশোকবাবুকে সরানোর পিছনে কোন কোন রাঘববোয়াল ফন্দি এঁটেছিল, তা ধরা পড়ে যাবে। এই ভয়ে তরুণী এফআইআর দায়ের করছেন না, মামলাও লড়তে চাইছেন না। সুতরাং অশোকবাবুর বিরুদ্ধে দোষই প্রমাণিত হয়নি। তাই তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান পদে ফের বসানো হোক।

English summary
Subramanian Swamy wants reinstatement of Ashok Kumar Ganguly
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more