Hathras stampede: হথরসে হাসপাতালের বাইরে পড়ে সারি সারি দেহ, কান্নার রোলে আকাশে-বাতাসে
উত্তর প্রদেশের হথরসে সৎসঙ্গে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১১৬ জনের। হাসপাতালের বাইরে পড়ে রয়েছে একের পর এক লাস। আপনজনদের খোঁজে হাসপাতালের বাইরে হন্য হয়ে ঘুরছেন পরিবারের লোকেরা। জানা গিয়েছে আজই হাথরাসে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
মৃতদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা। তাঁরা নামসংকীর্তন শুনতেই সৎসঙ্ঘে গিয়েছিলেন। এই মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কীভাবে ধর্মীয় নাম সংকীর্তনের অনুষ্ঠানে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল তা জানতে তদন্ত কমিটি গড়েছে হাথরাসের জেলা শাসক।

জানা গিয়েছে আজই হথরসে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ঘটনাস্থলে যাবেন তিনি। যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের সঙ্গে দেখা করবে মুখ্যমন্ত্রী। রাজধানী দিল্লি থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে ১৮০ কিলোমিটার দূরে হাথরাস। সেখানকার পুলরাই গ্রামে মঙ্গলবার বসেছিল সৎসঙ্ঘ।
একটি বেসরকারি সংস্থা এই সৎসঙ্ঘের আয়োজন করেছিল। এবং হথরসের এসডিএম তার অনুমতি দিয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে অত্যধিক ভিড়ের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত কমিটিতে রয়েছে এডিজি আগ্রা, আলিগড়ের পুলিশ কমিশনার। ইতিমধ্যেই যোগী আদিত্যনাথ মৃতদের পরিবার পিছু আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছে। মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। আর আহতদের চিকিৎসার জন্য দেওয়া হবে ৫০,০০০ টাকা। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিকে এই ঘটনা নিয়ে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন। সমাজবাদী পার্টি নেতা অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেছেন আহতদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। হাসপাতালের মেঝেতে পড়ে রয়েছে দেহ। চূড়ান্ত অব্যবস্থার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
এদিকে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন সৎসঙ্গ শেষ হওয়ার পরে সকলে হুড়োহুড়ি করে বেরিয়ে আসছিলেন সৎসঙ্ঘ থেকে। সেসময়ই ঠেলাঠেলিতে কেই রাস্তার পাশে পড়ে যান। আবার কেউ রাস্তার পাশের ড্রেনে পড়ে যান। তারপরেই প্যানিক তৈরি হয় সকলের মধ্যে।












Click it and Unblock the Notifications