সনিয়া চাইলেন, মমতা এড়ালেন 'সু-কৌশল'-এ

বিজেপি-বিরোধী জোটে মমতা ব্যানার্জিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেটের দিন দিল্লিতে বিশেষ বৈঠকেরও ডাক দিয়েছেন তিনি।

বিজেপি-বিরোধী জোটে মমতা ব্যানার্জিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেটের দিন দিল্লিতে বিশেষ বৈঠকেরও ডাক দিয়েছেন তিনি। মমতা নয়, সেখানে হাজির থাকবেন ডেরেক ও'ব্রায়েন।

বিজেপি-বিরোধী জোটে মমতা ব্যানার্জিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেটের দিন দিল্লিতে বিশেষ বৈঠকেরও ডাক দিয়েছেন তিনি। মমতা নয়, সেখানে হাজির থাকবেন ডেরেক ও'ব্রায়েন। ২০১৯-এর সাধারণ নির্বাচনের আগে এটাই কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ বাজেট। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সলতে পাকানোর কাজ শুরু করে দিয়েছেন কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধী। বাজেট পেশের দিন বিকেল ৫ টায় বিরোধী জোটের বৈঠক ডেকেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, বৈঠকে তৃণমূল ছাড়াওসমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি, সিপিএম, সিপিআই, এনসিসি, আরজেডি-সহ ১৭ টি দলকে বৈঠকে ডাকা হয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠক ডাকার আগেই মমতা ব্যানার্জির কাছে সময় চেয়েছিলেন সনিয়া গান্ধী। বৈঠকে মমতার উপস্থিতিও চেয়েছিলেন কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন। প্রয়োজনে ১ ফেব্রুয়ারি পরিবর্তে অন্য কোনও দিন বৈঠক ডাকতেও তৈরি ছিলেন সনিয়া। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে জানানো হয়, ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যেই ব্যস্ত থাকবেন তিনি। তৃণমূলের তরফে ডেরেক ও'ব্রায়েনকে বৈঠকে পাঠানোর কথা জানানো হয়। ফলে ১ ফেব্রুয়ারিতেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেন সনিয়া গান্ধী। তৃণমূলের জাতীয় মুখপত্র ডেরেক ও'ব্রায়েন অবশ্য বলছেন, বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে তৃণমূলের ওপরেই ভরসা করছে ভরসা করছেন অন্য দলের নেতারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সনিয়া গান্ধীর বিশেষ আমন্ত্রণে সেটাই প্রমাণিত হচ্ছে। বামদলগুলি,কে বাদ দিয়ে বৈঠকে আমন্ত্রণ পাওয়া ১৭ দলের নেতাদের অনেকেই অবশ্য মনে করছেন ২০১৯-এর নির্বাচনের আগে কেন্দ্রে বিজেপি বিরোধিতায় সামনের সারিতে প্রয়োজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ছয় বছরের বেশি সময় একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়া ছাড়াও, রেলের মতো কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও কুড়ি বছরের বেশি সময় ধরে সাংসদও ছিলেন তিনি। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগাতে চায় বিরোধীদের অনেকেই। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে এখনও সব কিছু পর্যবেক্ষণের মাধ্য রণকৌশল ঠিক করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুম্বইয়ে শারদ পাওয়ারের ডাকা সভায় তৃণমূলের তরফে পাঠানো হয়েছিল দীনেশ ত্রিবেদীকে। মঙ্গলবার দিল্লিতে বিজেপি নেতা যশোবন্ত সিংহের রাষ্ট্রমঞ্চ-এন অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন সেই দীনেশ ত্রিবেদীই। ১ ফেব্রুয়ারি সনিয়া গান্ধীর ডাকা বৈঠকে যাবেন ডেরেক ও'ব্রায়েন।

২০১৯-এর সাধারণ নির্বাচনের আগে এটাই কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ বাজেট। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই সলতে পাকানোর কাজ শুরু করে দিয়েছেন কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধী। বাজেট পেশের দিন বিকেল ৫ টায় বিরোধী জোটের বৈঠক ডেকেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, বৈঠকে তৃণমূল ছাড়াওসমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি, সিপিএম, সিপিআই, এনসিসি, আরজেডি-সহ ১৭ টি দলকে বৈঠকে ডাকা হয়েছে।

সূত্রের খবর, বৈঠক ডাকার আগেই মমতা ব্যানার্জির কাছে সময় চেয়েছিলেন সনিয়া গান্ধী। বৈঠকে মমতার উপস্থিতিও চেয়েছিলেন কংগ্রেসের সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন। প্রয়োজনে ১ ফেব্রুয়ারি পরিবর্তে অন্য কোনও দিন বৈঠক ডাকতেও তৈরি ছিলেন সনিয়া। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে জানানো হয়, ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যেই ব্যস্ত থাকবেন তিনি। তৃণমূলের তরফে ডেরেক ও'ব্রায়েনকে বৈঠকে পাঠানোর কথা জানানো হয়। ফলে ১ ফেব্রুয়ারিতেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেন সনিয়া গান্ধী।

তৃণমূলের জাতীয় মুখপত্র ডেরেক ও'ব্রায়েন অবশ্য বলছেন, বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে তৃণমূলের ওপরেই ভরসা করছে ভরসা করছেন অন্য দলের নেতারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সনিয়া গান্ধীর বিশেষ আমন্ত্রণে সেটাই প্রমাণিত হচ্ছে।

বামদলগুলি,কে বাদ দিয়ে বৈঠকে আমন্ত্রণ পাওয়া ১৭ দলের নেতাদের অনেকেই অবশ্য মনে করছেন ২০১৯-এর নির্বাচনের আগে কেন্দ্রে বিজেপি বিরোধিতায় সামনের সারিতে প্রয়োজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ছয় বছরের বেশি সময় একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়া ছাড়াও, রেলের মতো কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও কুড়ি বছরের বেশি সময় ধরে সাংসদও ছিলেন তিনি। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগাতে চায় বিরোধীদের অনেকেই।

তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে এখনও সব কিছু পর্যবেক্ষণের মাধ্য রণকৌশল ঠিক করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুম্বইয়ে শারদ পাওয়ারের ডাকা সভায় তৃণমূলের তরফে পাঠানো হয়েছিল দীনেশ ত্রিবেদীকে। মঙ্গলবার দিল্লিতে বিজেপি নেতা যশোবন্ত সিংহের রাষ্ট্রমঞ্চ-এন অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন সেই দীনেশ ত্রিবেদীই। ১ ফেব্রুয়ারি সনিয়া গান্ধীর ডাকা বৈঠকে যাবেন ডেরেক ও'ব্রায়েন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+