কর্নাটকে কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তনের মুখ তিনি, নিজের কোনো ফোন নেই সিদ্দারামাইয়ার

২০১৩ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সিদ্দারামাইয়া কর্নাটক শাসন করেছিলেন। তারপর কংগ্রেসের প্রত্যাবর্তনের মুখ হয়ে তিনিই ফের ফিরছেন ২০২৩ থেকে ২০১৮-য়। মুখ্যমন্ত্রি্ত্বে এর আগে পাঁচ বছর মেয়াদ সম্পূর্ণ করে তিনি মাইলফলক তৈরি করেছিলেন। আবারও প্রত্যাবর্তন্ের মুখ হয়ে তিনি কর্নাটকের শীর্ষাসনে হাজির।

একবিংশ শতাব্দীতে দেশ যখন ডিজিটাল ইন্ডিয়া হয়ে উঠতে চলেছে, তখন তিনি ফোন ছাড়াই নিজেকে আদর্শ নেতায় রূপান্তরিত করেছিলেন। গত বছরের আগস্টে কংগ্রেস যখন কর্নাটকে প্রচারেই ছিল না, তখন দলের নেতা সিদ্দারামাইয়া তাঁর ৭৫তম জন্মদিন উদযাপনকে এমন একটি ইভেন্ট করে তুলেছিলেন, যা ৬ লাখেরও বেশি লোককে আকৃষ্ট করেছিল।

সিদ্দারামাইয়া

তাঁর সেই একটা চালই খেলা ঘুরিয়ে দিয়েছিল। তারপর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সেই বিশেষ ইভেন্টে উপস্থিত হওয়ার জন্য এসে দেখেছিলেন থিকথিক করছে জনতা। কারণ কী, না এক জননেতার জন্মদিন। মানুষ এক জননেতার ডাকে হাজির হয়েছেন। সেই ছিল তাঁর শক্তি প্রদর্শনের প্রথম ধাপ।

তিনি দেখিয়েছিলেন, তিনি জনগণের নেতা, জনগণই তাঁর শক্তি। আজ পর্যন্ত সিদ্দারামাইয়া একটি ফোন কাছে রাখেন না। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে বা নিজের দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তাঁকে যোগাযাগ করতে হলে তা তিনি করেন, ব্যক্তিগত সহকারীর মাধ্যমে।

তাঁর আমলে তিনি মহিলা, বেকার যুবক-যুবতী, দরিদ্রদের জন্য কাজ করে্ছিলেন। এবারও সেই গ্যারান্টি তিনি দিয়েছিলেন। জনগণ তাঁকে ভরসা করেছেন, তার ফলেই কংগ্রেস কর্নাটক নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। তিনি ভোটারদের বোঝাতে এবং বিশ্বাসযোগ্যতা দিতে সমর্থ হয়েছেন। ১৩৫টি আসনে ঐতিহাসিক জয়ই তার প্রমাণ।

সিদ্দারামাইয়া

কর্নাটক নির্বাচনের ফলাফল বের হওয়ার পর পাঁচদিন ধরে দফায় দফায় আলোচনা চলেছে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সিদ্দারামাইয়াকে মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য কংগ্রেস বেছে নিয়েছে। রাজ্য সভাপতি ডিকে শিবকুমারকে বাদ দিয়ে সিদ্দারামাইয়াকেই দ্বিতীয়বারের মেয়াদে ভরসা রেখেছে কংগ্রেস।

সিদ্দারামাইয়া কর্নাটকের তৃতীয় বৃহত্তম জাতি কুরুবা সম্প্রদায়ের। তার শক্তিশালী অহিন্দা (সংখ্যালঘু, অনগ্রসর শ্রেণী এবং দলিতদের কন্নড় সংক্ষিপ্ত রূপ) কৌশল কর্ণাটকে কংগ্রেসের নির্বাচনী কৌশলের মূল ভিত্তি ছিল। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে তাঁর নিয়োগ কংগ্রেসকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সিদ্দারামাইয়া

কংগ্রেস অনেক ভেবেই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে পিছিয়ে পড়া ভিন্ন এক সম্প্রদায়ের নেতাকে বেছে নিয়েছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। কংগ্রেসের অন্যান্য রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী মুখ্যমন্ত্রী রাজস্থানের অশোক গেহলট ও ছত্তিশগড়ের ভূপেশ বাঘেলও ওবিসি সম্প্রদায়ের অন্তর্গত।

সিদ্দারামাইয়া গ্রামীণ জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী একজন রাজনীতিবিদ। গ্রামীণ ও কৃষি সমস্যাগুলি নিয়ে তিনি লড়েছেন। সিদ্দারামাইয়াকে এ জন্য অন্যান্য দলগুলিও সম্মান করে। তিনি জনগণের উপর বিশ্বাস রাথেন, জনগণই তাঁর ক্ষমতা। সিদ্দারামাইয়া কংগ্রেসের ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতিনিধি। জনতার বিচারে তিনি এগিয়েছিলেন, রাহুল গান্ধীরও তাঁকে প্রথম পছন্দ। শিবকুমারকে যযপর্যন্ত রাহুল-সোনিয়া বোঝাতে সমর্থ হয়েছ

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+