মহারাষ্ট্রে এনসিপি-কংগ্রেসের পর এবার মন্ত্রিত্ব না পাওয়ায় অসন্তোষ শিবসেনা বিধায়কদের মধ্যে
মহারাষ্ট্রে এনসিপি-কংগ্রেসের পর এবার মন্ত্রিত্ব না পাওয়ায় অশন্তোষ সেনা বিধায়কদের মধ্যে
মন্ত্রিত্ব না পেয়ে ইতিমধ্যেই এনসিপি বিধায়কের পদত্যাগের ঘটনা দেখেছে মহারাষ্ট্র। এছাড়া কংগ্রেস বিধায়কের একাংশও অখুশি মন্ত্রিত্ব না পাওয়ায়। সেই ছোঁয়াচে রোগ এবার গায়ে লাগল শিবসেনারও। খুল্লামখুল্লা মন্ত্রিত্ব না পাওয়ায় মুখ খুলতে দেখা গেল বেশ কয়েকজন সেনা বিধায়ককে।

'আমি জানি না উদ্ধবজি কেন আমাকে মন্ত্রিসভায় রাখলেন না'
রত্নাগিরির সেনা বিধায়ক ভাস্কর যাদব যেমন কোনও রাগঢাক না করেই বললেন, 'আমি জানি না উদ্ধবজি কেন আমাকে মন্ত্রিসভায় রাখলেন না। আমাকে তাঁকে জিজ্ঞাসা করতে হবে যদি আমার দ্বারা কোনও ভুল হয়ে থাকে যার কারণে আমাকে মন্ত্রী করা হল না। এই সিদ্ধান্ত শেষ মুহূর্তে নেওয়া হয়।'

নির্দল প্রার্থীদের জন্যেই বঞ্চত সেনা বিধায়করা!
সেনা সূত্রে খবর। সরকারকে সমর্থন জানানো তিন নির্দল প্রার্থীকে মন্ত্রিসভায় জায়গা করে দিতে বেশ কয়েকজন সেনা বিধায়ক বঞ্চিত হয়েছে। এই কারণে অশন্তোষ দেখা দিয়েছে দলের একাংশের মধ্যে। শঙ্কর রাও গাদাখ, বাচ্চু কাদু ও রাজেন্দ্র পাতিলকে সরকারে নেওয়ার জেরেই বঞ্চিত সেনা বিধায়করা।

মন্ত্রিত্ব না পেয়ে মাতোশ্রীতে বিধায়ক
এদিকে মন্ত্রিত্ব না পেয়ে সেনা প্রধান উদ্ধব ঠআকরের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাসভব মাতোশ্রীতে যান ওসমানাবাদের বিধআয়ক তানাজি সাওয়ান্ত। তবে উদ্ধবের দেখা তিনি পাননি। হতাশ হয়েই ফিরতে হয় তাঁকে। গত সরকারে সাওয়ান্ত জল সংরক্ষণ মন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন। তবে এবারে তার ভাগ্যে মন্ত্রিত্ব জোটেনি।

আগের সরকারে মন্ত্রী হয়েও এবার জায়গা হয়নি
এদিকে অর্থমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীর পদ সামলানো দীপক কাসেরকরও মন্ত্রিত্ব না পাওয়ায় হতবাক। তিনি এই বিষয়ে বলেন, 'আমি জানি না কী হয়েছে। কেন আমাকে মন্ত্রিত্ব থেকে বঞ্চিত রাখা হল আমি তা বলতে পারব না। আমি দলের কোনও নিয়ম ভাঙিনি। দলের কথা মেনে চলেছই। তাও এরকম হল। কেউ আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগও করেনি।'

অশন্তুষ্টদের তালিকা
এছাড়া সুনীল প্রভু, রবীন্দ্র ওয়াইকার, সুনীল রাউত, প্রতাম সারনায়ক, প্রকাশ আবিতকার, আশীষ জয়সওয়াল, সঞ্জয় শিরসাতরাও মন্ত্রিত্ব না পাওয়ায় দলের অন্দরে অশন্তোষ প্রকাশ করেছএন বলে জানা গিয়েছে।

অশন্তোষ কংগ্রেস-এনসিপিতেও
সোমবার মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করেন। ৩৬ জন নতুন মন্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যেখানে উপ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন অজিত পাওয়ার। আর রাতেই নিজেকে রাজনীতির অযোগ্য ঘোষণা করে বিধায়ক পদে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মহারাষ্ট্রের বিড জেলা থেকে এনসিপির টিকিটে নির্বাচিত বিধায়ক প্রকাশ সোলাঙ্কে। মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়ায় কংগ্রেস বিধায়ক সংগ্রাম থোপাটের অনুগামীরা মঙ্গলবার কংগ্রেস অফিসে ভাঙচুর চালায়।

সঞ্জয় রাউত নিয়ে উঠেছে গুঞ্জন
এদিকে মহারাষ্ট্রে বিজেপিকে হারিয়ে শিবসেনা-কংগ্রেস-এনসিপির মহা আঘাড়ি জোটের মূল কারিগরদের অন্যতম ছিলেন শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত। তাও মন্ত্রিসভায় স্থান হয়নি। প্রশ্ন ওঠে এই কারণেই কি নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন তিনি। তবে এসব গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়েছেন সঞ্জয়।












Click it and Unblock the Notifications