করোনা রোধে প্রযুক্তির ব্যবহার, তৈরি স্যানিটাইজিং মেশিন! জানুন বিস্তারিত
করোনা আবহে এখন সবকিছুকেই স্যানিটাইজ করা বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাজার থেকে কোনও জিনিস কিনে বাড়ি ফিরেছেন, সঙ্গে সঙ্গে তা স্যানিটাইজ করতে হবে। পরিস্থিতি এতটাই গুরতর যে বাজার থেকে কিনে আনা সবজি আগে আপনাকে ধুতে হচ্ছে সাবান জল দিয়ে। এই সবকিছু করেই নিশ্চয় আপনি ক্লান্ত।

করোনা আবহে বদলে গিয়েছে জীবন
করোনা আবহে যখন মাস্ক, স্যানিটাইজার, অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে সেই সময় প্রযুক্তির সাহায্যে সেই পরিস্থিতিকে আরও সহজ করার লক্ষ্যে এল বেঙ্গালুরুর এক সংস্থা। আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মীর ব্যবহারে আক্ষরিক অর্থে করোনারোধক এক ওয়াশিং মেশিন তৈরি করেছে তারা।

করোনা রোধে প্রযুক্তির ব্যবহার
বাজার থেকে কিনে আনা জিনিসগুলি বা আপনার মাস্ক সেই মেশিনে রাখুন ১০ মিনিট। আর আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মীর ব্যবহারে সেই বস্তুর উপরে কোনও করোনা জীবাণু থাকলেও তা মারা যাবে। করোনা জীবাণুর কোষের প্রকৃতির কথা মাথায় রেখেই এই মেশিন ডিজাইন করা হয়েছে।

করোনা যোদ্ধাদের জন্য বড় প্রাপ্তি
লগ৯ নামক বেঙ্গালুরুর যেই স্টার্ট আপ কোম্পানিটি এই মেশিনটি তৈরি করেছে তাদের দাবি, হাসপাতালে চিকিৎসকদের ব্যবহৃত বস্তু এই মেশিনের সাহায্যে খুব সহযেই করোনামুক্ত করা যাবে।

করোনারোধে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাস্ক
এর আগে এই প্রযুক্তির সাহায্যে করোনা রোধে স্ট্যাটিক ইলেকট্রিক মাস্ক তৈরি করার দিকে নজর দিয়েছিলেন বেঙ্গালুরুর বিজ্ঞানীরা। বেঙ্গালুরুর সেন্টার ফর ন্যানো অ্যান্ড সফ্ট ম্যাটার সায়েন্সের অধীনে থাকা ডিপার্টমেন্ট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির কয়েকজন বিজ্ঞানী মিলে এই প্রয়াস শুরু করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের প্রস্তাব এরকম একটা মাস্ক তৈরি করা যাতে স্ট্যাটিক ইলেকট্রিসিটি থাকবে। এর থেকেই করোনা দূরে থাকবে।

কী করে কাজ করে এই মাস্ক
জানা গিয়েছে করোনা ভাইরাসে নেগেটিভ চার্জ রয়েছে। এর থেকেই এই বিজ্ঞানীদের মাথায় এসেছে যে এরকম মাস্ক তৈরি করা হবে যার বাইরের আস্তরণে থাকবে পজিটিভ চার্জ। আর এই স্ট্যাটিক ইলেকট্রিসিটির ফলে দূর হবে করোনা ভাইরাস। এই মাস্ক ব্যবহারের আগে সেই বাইরের আস্তরণকে ভালো করে ঘষে নিলে তাতে পজিটিভ চার্জ তৈরি হবে। আর এর ফলে করোনা এই মাস্ক থেকে দূরে থাকবে।












Click it and Unblock the Notifications