Russia-Ukraine War: অবিলম্বে সংঘর্ষ থামানোর আর্জি জানিয়ে পুতিনকে ফোন মোদীর
বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে। তারপর থেকেই ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকা থেকে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠছে গোটা দেশ। ইউক্রেন বলছে তাদের অন্তত ৪০জন সৈন্য মারা গেছ
বৃহস্পতিবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে। তারপর থেকেই ইউক্রেনের বিভিন্ন এলাকা থেকে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠছে গোটা দেশ। ইউক্রেন বলছে তাদের অন্তত ৪০জন সৈন্য মারা গেছে এবং তিরিশ জনের বেশি বেসামরিক মানুষ মারা গিয়েছে বলে খবর।
আর এই অবস্থায় পুতিনের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট দুজনের মধ্যে কথা হয় বলে জানা যাচ্ছে।

আর এই ২০ থেকে ২৫ মিনিটের ফোনালাপে একাধিক বিষয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীএবং পুতিন। একই সঙ্গে অবিলম্বে হিংসা থামানোর কথাও পুতিনকে জানান মোদী। বলেন, আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হতে পারে। শুধু তাই নয়, সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে কূটনৈতিক স্তরেও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে আশা রাখেন প্রধানমন্ত্রী। এমনটাই জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে। শুধু তাই নয়, পুতিনকে মোদী বলেন, সমস্যার সমাধানে সব পক্ষকেই আগে উদ্যোগ নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার পরিসর তৈরি করতে হবে।
অন্যদিকে এই মুহূর্তে ইউক্রেনের কি অবস্থা, কেনই বা হামলা এই সমস্ত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জানান পুতিন। তবে এই ফোনালাপে ন্যাটো এবং রাশিয়ার মধ্যে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে তা আলোচনার মাধ্যমেই মিটবে বলেও পুতিনের কাছে আশা রাখেন নরেন্দ্র মোদী। এই আলোচনায় ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয় নাগরিকদের নিয়েও পুতিনের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মোদী। সেখানে আটকে থাকা ছাত্র এবং ভারতীয় নাগরিকদের উদ্ধারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা যাচ্ছে।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারত এবং রাশিয়ার মধ্যে আলোচনা জারি থাকবে। আর এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন দুজনেই সহমত হয়েছেন। আর সেই মতো অফিসিয়াল এবং কূটনৈতিকস্তরে এই আলোচনা হবে বলে দুই দেশই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য এই ফোনালাপের আগে দীর্ঘক্ষণ জরুরি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। যেখানে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ এবং রাজনাথ সিং। যেখানে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে কোন পথ ধরে ইউক্রেনে আটকে থাকা ভারতীয় ছাত্রদের বের করে আনা সম্ভব তা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা হয়েছে। আর এরপরেই মোদী-পুতিন আলোচনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications