Coal Scam: দিল্লি হাইকোর্টে অন্তবর্তী রক্ষাকবচের আবেদন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের! আগামী লক্ষ্মীবারে নজর সবার
কয়লা পাচার-কাণ্ডে চাপ বাড়ছে অভিষেক পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের! অন্তবর্তী রক্ষাকবচের আবেদন তাঁর। দিল্লি হাইকোর্টে আজ শুক্রবার প্রায় এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে চলল শুনানি যদিও এদিনের মতো শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে।
কয়লা পাচার-কাণ্ডে চাপ বাড়ছে অভিষেক পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের! অন্তবর্তী রক্ষাকবচের আবেদন তাঁর। দিল্লি হাইকোর্টে আজ শুক্রবার প্রায় এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে চলল শুনানি। যদিও এদিনের মতো শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে আগামী ৬ অক্টোবর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আদালতে ফের একবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে।

মামলার শুনানি কোন দিকে গড়ায় সেদিকে তাকিয়ে গোটা রাজ্যের মানুষ। তবে এদিন আদালতে ইডির তরফে রুজিরা বন্দ্যোপাধায়ের আইনজীবীর করা একাধিক আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করা হয়।
উল্লেখ্য, কয়লা পাচার-কাণ্ডে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় দুই তদন্তকারী সংস্থা। একদিকে তদন্ত করছে এনফোর্সমেণ্ট ডিরেক্টরেট এবং অন্যদিকে এই মামলার আর্থিক কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত বিষয়টি দেখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই মামলাতে ইতিমধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি।
শুধু তাই নয়, রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও জেরা করতে তলব করা হয়। কিন্তু করোনার কারণ দেখিয়ে ইডির জিজ্ঞাসাবাদ এড়িয়ে যান রুজিরা। শুধু তাই নয়, ভার্চুয়াল ভাবে তাঁকে যাতে জেরা করা হয় সেই মর্মে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। যদিও আদালত সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে অভিষেক-পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
আগামী ১২ অক্টোবর দুপুর ২টোর সময়ে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিল্লি পাতিয়ালা কোর্টের। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘক্ষণ সওয়াল জবাব চলে আদালতে। সবপক্ষের বক্তব্যে শুনে রুজিরাকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ জানায় আদালত।
অন্যদিকে আজ শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টে আরও একটি মামলার শুনানি হয়। যেখানে অন্তবর্তী রক্ষাকবচের আবেদন করা হয়। যদিও রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের বিরোধিতা করা হয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে। এদিন দিল্লি হাইকোর্টে চলা শুনানিতে ইডির তরফে পাতিয়ালা কোর্টের প্রসঙ্গ টেনে আনা হয়।
যেখানে আদালত সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে অভিষেক-পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পাল্টা রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকেও সওয়াল করা হয়। প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে চলে সওয়াল জবাব।
উল্লেখ্য, কয়লা পাচার-কাণ্ডে তদন্ত দিল্লিতে করছে সিবিআই এবং ইডি। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে। কেন মামলা কলকাতা থেকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। এমনকি খোদ মমতা বন্দ্যপাধায়ও এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, ষড়যন্ত্র করে মামলা কলকাতা থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আর এই বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক এবং রুজিরা।
তাঁদের দাবি, দিল্লিতে নয়, কলকাতাতেই যেন তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, এমনকি গ্রেফতার করা হলেও যাতে কলকাতাতে করা হয় সেই বিষয়ে আবেদনে জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications