Prashant Kishor: 'জন সুরাজ' গঠিত হলে কে হবেন সভাপতি, কী ভাবে বাছাই, বললেন প্রশান্ত কিশোর
Prashant Kishor: সেপ্টেম্বরে জন সুরাজ যাত্রা শেষের পরে ২ অক্টোবর জন সুরাজ দল গঠন করতে যাচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর। যা নিয়ে তিনি প্রচারের পাশাপাশি প্রস্তুতিও শুরু করেছেন। এরই পদক্ষেপ হিসেবে রবিবার পটনার বাপু অডিটোরিয়ামে এক কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন প্রশান্ত কিশোর।
কর্মশালায় হাজির ছিলেন প্রশান্ত কিশোরের সম্ভাব্য দলের জেলা ও ব্লক স্তরের নেতারা। তাঁদের সামনে প্রশান্ত কিশোর জানিয়ে দেন দলের নেতৃত্বা কাদের হাতে থাকবে।

দলের নেতৃত্ব কাদের হাতে?
প্রশান্ত কিশোর জানিয়েছেন, জন সুরাজ গঠিত হলে, সাধারণ, ওবিসি, মুসলিম এমনই পাঁচ ভাগে ভাগ করবেন। তিনি জানিয়েছেন, দলের নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যা তিনি সাধারণের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানিয়েছেন, সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রতিবার পাঁচ শ্রেণির একজনকে দলের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। কে হবেন নেতা, এই প্রশ্নের সমাধান করতে গিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, পাঁচ শ্রেণিকে দলের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
কত দিনের জন্য, কে প্রথম সুযোগ পাবেন?
প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, দুটি প্রশ্ন রয়েছে। কে প্রথম সুযোগ পাবেন আর কত দিনের জন্য পাবেন? এর উত্তরে পরামর্স হিসেবে উঠে এসেছে, একবছর করে পাঁচ ক্যাটেগরির লোককে সুযোগ দেওয়া হবে। প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, তিনি আশা করছেন, পাঁচ বছরে সমাজের সব অংশ দলে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
তিনি বলেছেন, অনেকেই দায়িত্ব দুই বছরের জন্য দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু সেখানে অসুবিধা হল, একবার একদন দলিত সুযোগ পেলে আটবছর পরে দলিতদের কেউ সুযোগ পাবেন। প্রশান্ত কিশোর পটনার কর্মশালায় যাওয়া জন সুরাজের কর্মীদের প্রশ্ন করেন, দলের সভাপতির সময়সীমা এক বছর না দুই বছর করা হবে? সেই সময় প্রায় সবাই বলেন এক বছর।
প্রশান্ত কিশোরের প্রস্তুতি
জন সুরাজ যাত্রা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি দল গঠনের প্রস্তুতির জন্য বিহার জুড়ে ১.৫ লক্ষের বেশি কর্মীকে নিয়ে এখনও পর্যন্ত আটটি রাজ্যস্তরের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে কিংবা হচ্ছে। সেখানেই চলছে দল গঠনের প্রক্রিয়া, নেতৃত্ব, গঠনতন্ত্র নিয়ে আলোচনা।
এর আগে প্রশান্ত কিশোর আশ্বস্ত করে বলেন, তাঁর ওপরে আস্থা রাখতে। কোনও দল, কোনও ধর্ম কিংবা বর্ণের মানুষ, তিনি যতই ধনী হোন না করেন, তাঁকে কিনতে পারবে না। জন সুরাজকে তিনি নিজের নয়, বিহারের মানুষের দল বলে মন্তব্য করেন। সঙ্গে স্পষ্ট জানান, কারও সঙ্গেই জোট করবেন না। তিনি বলেছেন, শুধু জীবদ্দশায় বিহারকে উন্নত রাজ্যের শ্রেণিতে দেখার স্বপ্ন নিয়ে এসেছেন। তিনি দেখতে চান. একদিন গুজরাত, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, তামিলনাড়ু, পঞ্জাব-সহ সারা ভারতের মানুষ বিহারে এসে কর্মসংস্থান পাচ্ছে। কেবল তখনই বিশ্বাস হবে, বিহারে উন্নয়ন হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications