Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বিহারের 'জঙ্গল রাজ' মানুষ আগামী ১০০ বছরেও ভুলবেন না, আরজেডি-কংগ্রেসকে খোঁচা মোদীর

'জঙ্গল রাজ'-এর কথা মানুষ আগামী ১০০ বছরেও ভুলবেন না। এভাবেই বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে আরজেডি ও কংগ্রেসকে একসঙ্গে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

তাঁর মতে, বিরোধীরা তাদের অপকর্ম যতই আড়াল করার চেষ্টা করুক না কেন, জনগণ তাদের ক্ষমা করবেন না।

-

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে তেজস্বী যাদবকে মহাজোটের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে এদিনই। তারপরই মোদী বললেন, বিরোধী জোটটি কোনও গঠবন্ধন নয়। এটি লাঠিবন্ধন বা অপরাধীদের জোট। কারণ এর সব নেতাই জামিনে রয়েছেন।

মোদী চান প্রবীণ লোকেরা যেন তরুণদের 'জঙ্গল রাজ'-এর সময়কার নৃশংসতা সম্পর্কে শিক্ষিত করেন। 'জঙ্গল রাজ' বলতে তিনি আপাতদৃষ্টিতে আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদের শাসনকালের সময়কেই বোঝাতে চেয়েছেন। অডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে "মেরা বুথ সবসে মজবুত: যুবা সংবাদ" অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী একযোগে বিরোধীদের নিশানা করেন জঙ্গল রাজের খোঁচা দিয়ে।

মোদী বলেন, "আমি বিহারের সব তরুণদের বলব যে প্রতিটি বুথে সব যুবককে একত্রিত করুন এবং সেই এলাকার বয়স্কদের সেখানে এনে জঙ্গল রাজের পুরানো কথাগুলো সবাইকে বলতে বলুন।" বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মোদী বলেন, কেন্দ্রে এবং বিহারে স্থিতিশীল সরকারের কারণে দেশে একটি উন্নয়নের "মহাযজ্ঞ" চলছে, যেখানে চারদিকে কাজ হচ্ছে।

তিনি বলেন, "বিহারের প্রতিটি ক্ষেত্রে, প্রতিটি দিকে কাজ হচ্ছে। হাসপাতাল তৈরি হচ্ছে। ভালো স্কুল, নতুন রেল রুট তৈরি হচ্ছে। এর একটি প্রধান কারণ হলো দেশে এবং বিহারে একটি স্থিতিশীল সরকার রয়েছে। যখন স্থিতিশীলতা থাকে, উন্নয়ন তখন গতি পায়। এটি বিহারের এনডিএ (NDA) সরকারেরও শক্তি।"

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "সে কারণেই বিহারের তরুণরা উৎসাহের সঙ্গে বলছেন-'রফতার পাকড় চুকা বিহার, ফির সে এনডিএ সরকার' (গতি ধরেছে বিহার, আবারও এনডিএ সরকার)।"

বিহার বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় সূচিত করবে এবং এতে তরুণরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে নিশ্চিত মোদী। বিহারে দুটি ধাপে ৬ এবং ১১ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা হবে ১৪ নভেম্বর। বিরোধীদের 'ইন্ডিয়া' জোট রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) নেতা তেজস্বী যাদবকে বিহার নির্বাচনের জন্য তাদের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করেছে।

তেজস্বীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় খোঁচা দিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তিনি লিখেছেন, "বিহারের মানুষ তাঁদের সুযোগ দিয়েছিল, কিন্তু তাঁরা জনগণের সেবা করার পরিবর্তে নিজেদের স্বার্থে ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন। নির্বাচনের ঠিক আগে কিছু লোক নিজেদের জীবিকা দিদি এবং বিহারের অর্ধেক জনসংখ্যার চ্যাম্পিয়ন হিসাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। সত্য হলো, 'জীবিকা দিদি'-র নামে তাঁরা নিজেদের পরিবারের জন্য জীবিকা খুঁজছেন। তাঁরা অর্ধেক জনসংখ্যার জন্য চাঁদ-তারা এনে দেওয়ার বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। বিহারের মানুষ এই ব্যক্তিদেরও সুযোগ দিয়েছিল, কিন্তু তখন তাঁদের সেবার চেয়ে ব্যক্তিগত লাভের দিকে বেশি মনোযোগ ছিল।"

নীতীশ আরও লিখেছেন, "তাদের (আরজেডি) শাসনকালে নারীর উন্নয়ন তাদের নিজেদের পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। সেই সময়ে বিহারের নারীরা 'জঙ্গল রাজ'-এর যে কষ্ট, ভোগান্তি এবং দংশন সহ্য করেছেন, তা কারও অজানা নয়। বিহারের বোন ও কন্যারা আজ পড়াশোনা করছেন, উন্নতি করছেন, কাজ করছেন, কর্মসংস্থান তৈরি করছেন এবং রাজ্য ও দেশকে গর্বিত করছেন। তাঁরা জানেন কে সত্যিই তাঁদের উন্নতির জন্য কাজ করেছেন। ২০০৫ সালে বিহারকে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা সব সময় আমাদের মনে থাকে। আমি যতদিন এখানে আছি, কোনও শক্তি বিহারকে, বিশেষ করে আমাদের বোন ও কন্যাদের এগিয়ে যাওয়া থেকে আটকাতে পারবে না। ১.৪ কোটিরও বেশি জীবিকা দিদি বিহারের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। অর্ধেক জনসংখ্যার উন্নতি ছাড়া কোনও সমাজ বা রাজ্যই অগ্রগতি লাভ করতে পারে না।"

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+