নীতি আয়োগের অষ্ঠম বৈঠকের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী মোদী! যেসব বিষয়গুলি অগ্রাধিকারের তালিকায়
প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন নীতি আয়োগের অষ্টম বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন। তিনিই নীতি আয়োগের চেয়ারম্যান। নীতি আয়োগের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। এই বৈঠকে বেশ কিছু বিষয়কে অগ্রাধিকারের তালিকায় রাখা হয়েছে।
নীতি আয়োগের বৈঠকে যে সব বিষয়কে অগ্রাধিকারের তালিকা রাখা হয়েছে, তা হল, ২০৪৭-এ উন্নত ভারত, এমএসএমই-এর ওপরে জোর, পরিকাঠামো ও বিনিয়োগ, নারীর ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন-সহ দীর্ঘ বৈঠক, এলাকার উন্নয়ন ও সামাজিক পরিকাঠামোর জন্য গতি শক্তি।

নীতি আয়োগের মূল লক্ষ্য হল, ২০৪৭-এ উন্নত ভারত। এক্ষেত্রে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী কিংবা লেফটেন্যান্ট গভর্নর, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা পদাধিকার বলে এক্ষেত্রে যুক্ত থাকবেন। নীতি আয়োগের অষ্টম বৈঠকের লক্ষ্যে প্রস্তুতি হিবেসে গত জানুয়ারিতে মুখ্যসচিবদের সম্মেলন হয়েছিল। সেখানেই অগ্রাধিকারের তালিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল।
নীতি আয়োগের অঞ্চম বৈঠকের আগে বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদের সঙ্গেও আলোচনা করা হয়েছিল, এই বৈঠকের প্রস্তুতি হিসেবে। তারপর রাজ্য সরকারগুলির মুখ্যসচিব এবং কেন্দ্রীয় বিভিন্ন দফতরের সচিবরাও আলোচনা করেছিলেন। সেখানে উপস্থিহত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদীও।
এর আগের নীতি আয়োগের বৈঠক হয়েছিল ২০২২-এর ৭ অগাস্ট। সেখানেও সভাপতিত্ব করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বৈঠকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষি বৈচিত্রের ওপরে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সময়সীমার কথাও বলেছিলেন মোদী।

সপ্তম নীতি আয়োগের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদী রাজ্যগুলিকে জিএসটি সংগ্রহ বাড়ানো, বাণিজ্য, পর্যটন এবং প্রযুক্তির প্রচারে জোর দিতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। দেশের ভোজ্য তেল আমদানি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছিল।
সেই বৈঠকে ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল রাজ্যগুলির জিএসটি ক্ষতিপূরণের মেয়াদ বাড়াতে আবেদন করেছিলেন। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে এমএসপি প্রকল্পের অধীনে কৃষি পণ্যের সংগ্রহের সীমা বাড়ানোর জন্যও বলেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications