Narendra Modi: কোন কৌশলে পহেলগাঁওয়ের প্রত্যাঘাত? সেনার তিন বাহিনীকে 'পূর্ণ স্বাধীনতা' মোদীর, আশায় দেশ
Narendra Modi: গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলা নিয়ে মঙ্গলবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক সেরে ভারতীয় সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২৬ জন পর্যটকের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পাল্টা প্রত্যাঘাতে ভারতীয় সেনাকে পুরোদমে স্বাধীনতা দেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। পাল্টা প্রত্যাঘাতের সঠিক সময়, যথাযথ পন্থা ঠিক করতে পারে ভারতীয় সেনাই। এমনই খবর একাধিক সংবাদ সংস্থা সূত্রে।
সরকারি সূত্র উল্লেখ করে সংবাদসংস্থা এএনআই জানায়, সন্ত্রাসবাদ দমনে ভারত যে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, সেকথাই বারবার জানিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী। সশস্ত্র সেনাবাহিনীর প্রতি অগাধ আস্থা ও ভরসাও রয়েছে বলে জানান নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টতই বলেন, "ভারত কীভাবে জবাব দেবে, তার ধরন, তার সময় - সবটাই সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় সেনা। এব্যাপারে তাদের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হল।" ওই বৈঠকে ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও জল-স্থল-বায়ু সেনার প্রধানরাও।

পহেলগাঁওতে জঙ্গি হামলার পর থেকেই কড়া পদক্ষেপের কথা বলেছেন নরেন্দ্র মোদী। জঙ্গি হামলায় জড়িত প্রত্যেককে খুঁজে বের করে কল্পনাতীত শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। ধারণার বাইরে শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানান মোদী। জঙ্গি হামলায় নিহতদের বিচার দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদের পর থেকে এত বড় জঙ্গি হামলা এর আগে ঘটেনি।
জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে সবুজে ঘেরা বৈসরন উপত্যকায় জঙ্গি হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই তৈবার ছায়া সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট ওরফে টিআরএফ। এরপর থেকেই পাকিস্তানের দিকে আঙুল তুলে কড়া জবাব দিয়েছে ভারত। কূটনৈতিক সম্পর্ক কার্যত ছিন্ন করা হয়েছে পাকিস্তানের সঙ্গে। যদিও পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় তাঁদের যোগ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান।
এরপরই পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু জল চুক্তি বাতিল সহ একাধিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে ভারত। আর এরপর সেনাকেও পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হল। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, এর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহনের সঙ্গে তিন সেনার প্রধান ও অন্যান্য নিরাপত্তা সংগঠনের দুই বরিষ্ঠ আধিকারিকরা বৈঠক করেন।
প্রধানমন্ত্রীর কড়া মন্তব্যের সঙ্গেই সরকারের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। এরপর পাকিস্তানকে জবাব দেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক দিক দেখছে আপামর ভারতবাসী। এর আগেও মোদীর নেতৃত্বে পাকিস্তানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানো হয়েছে। ২০১৬ সালে উরি হামলার পর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানো হয়। এরপর পুলওয়ামা সিআরপিএফের উপর হামলায় পাল্টা বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক করে ভারত। এবার কী হবে? সেই আশায় সকলে।












Click it and Unblock the Notifications