সংসদ থেকে রাস্তায় বিরোধীদের সঙ্ঘবদ্ধতায় পিছু হটেছেন মোদী! ২৪-এর লড়াই কোন পথে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিনটি কৃষি আইন বাতিল ঘোষণা করেছেন। তার সঙ্গে সঙ্গেই বিরোধীরা সরকারকে নতজানু করার জন্য সমস্ত কৃতিত্ব দিয়েছে প্রতিবাদী কৃষকদের। বছরব্যাপী আন্দোলন চলেছে। অচল করে দেওয়া হয়েছে রাস্তাঘাট, সংসদও।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিনটি কৃষি আইন বাতিল ঘোষণা করেছেন। তার সঙ্গে সঙ্গেই বিরোধীরা সরকারকে নতজানু করার জন্য সমস্ত কৃতিত্ব দিয়েছে প্রতিবাদী কৃষকদের। বছরব্যাপী আন্দোলন চলেছে। অচল করে দেওয়া হয়েছে রাস্তাঘাট, সংসদও। ঐক্যবদ্ধ বিরোধিতাও দেখা গিয়েছে। কিন্তু প্রতিবাদ মঞ্চে কোনও রাজনৈতিক দলকে দেখা যায়নি। প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে কৃষকরা।

সংসদ থেকে রাস্তায় বিরোধীদের সঙ্ঘবদ্ধতায় পিছু হটেছেন মোদী

কৃষি আইনগুলি প্রত্যাহার করার জন্য বিধানসভায় প্রস্তাব পাস করা থেকে শুরু করে সংসদে ধারাবাহিকভাবে সমস্যাটি উত্থাপন করা হয়েছে। বছরের শুরু থেকে লোকসভা এবং রাজ্যসভার যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির প্রথাগত ভাষণ বর্জন করা-সহ আইনি লড়াইয়ে যোগদান এবং ঐক্য গড়ে তোলা হয়েছে। সংসদের বাইরে বিরোধীরা প্রথমবারের জন্য এই ইস্যুটিকে ছেড়ে দেয়নি।

রাহুল গান্ধী গত বছর পাঞ্জাবে তিন দিনের ট্র্যাক্টর সমাবেশে গিয়েছিলেন এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী উত্তরপ্রদেশে একাধিক কিষাণ মহাপঞ্চায়েতে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। যখন অন্যান্য দলগুলি দিল্লি এবং উত্তরপ্রদেশের বাইরে কৃষি আইনের বিরোধিতা প্রসারে ভূমিকা নিয়েছিল, তখন তামিলনাড়ুতে ডিএমকে, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল, কেরালায় বামফ্রন্ট, উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টি এবং বিহারে আরজেডিও অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করে।

যদিও তামিলনাড়ুতে বিক্ষোভের তেমন প্রতিফল দেখা যায়নি রাস্তা। ডিএমকে বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তেহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, ক্ষমতায় এলে তারা একটি প্রস্তাব পাস করবে। প্রস্তাব পাস করবে কেন্দ্রের বৈষম্যমূলক আইনগুলি বাতিল করতে। ডিএমকে সরকার অগাস্ট মাসে সেই প্রস্তাব পাস করে। বাংলা, পাঞ্জাব, ছত্তিশগড়, দিল্লি, রাজস্থান এবং কেরালার মতো রাজ্যও আইনের বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাস করে।

বিরোধীদের এই সমবেত আওয়াজ বিজেপিকে একটি আক্রমণাত্মক পাল্টা প্রচার শুরু করতে বাধ্য করেছে। বিজেপি 'এক মুঠো চাল সংগ্রহ' অভিযানে নামে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির এই অভিযানের প্রতিবাদ করেন। নির্বাচনে জয়ের পর তিনি কলকাতায় কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইতের সঙ্গে দেখা করেন।

অনেক বিরোধী নেতা বিশ্বাস করেন, প্রধানমন্ত্রী মোদীর শুক্রবারের সিদ্ধান্তটি পরের বছর বিধানসভা নির্বাচনের দিকে নজর রেখে করা হয়েছিল। যদিও মূলধারার রাজনৈতিক বিরোধীদের নেতৃত্বে নয়, সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য করে কৃষকরাই। কৃষকদের গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের জেরে আসন্ন নির্বাচনের আগে কেন্দ্রের মোদীর সরকারকে পিঠু হটতে বাধ্য করে।

কংগ্রেস তো সরাসরি ব্যাখ্যা করে, তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা নীতি পরিবর্তন বা হৃদয় পরিবর্তনের দ্বারা অনুপ্রাণিত নয়। এটা নির্বাচনের ভয়ে প্ররোচিত! লোকসভার কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, এই সিদ্ধান্ত মোদির নৈতিক পরাজয়। বিরোধী দলগুলির জন্য বার্তা হল যে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ মোদীকে পরাস্ত করতে পারে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+