পেঁয়াজের ঘাটতি সাময়িক, দাম কমবে ২-৩ সপ্তাহের মধ্যেই : সরকার

এদিন শরদ পাওয়ার বলেন, আগের বছরের তুলনায় এবছর বেশি এলাকা নিয়ে চাষাবাদ হয়েছিল। ফসলের ঘাটতি কাম্য ছিল না। কিন্তু কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্রে অতিরিক্ত বৃষ্টি হওয়ার কারণে প্রচুর পরিমান খাদ্যশস্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে। ফলে সাময়িকভাবে পেঁয়াজের ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে জানান তিনি।
কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর সুরেই এদিন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী আনন্দ শর্মা বলেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণ করা হবে।পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বুধবারই বেশ কিছু জায়গায় পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা প্রতি কেজিতে পৌছয়। মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, রাজস্থানে পেঁয়াজের যোগান বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই আগামী ২-৩ সপ্তাহে সবজির দাম কমতে শুরু করবে বলে এদিন জানান পাওয়ার।
খুচরো বাজারে পেঁয়াজের চড়া দামের প্রশ্নে কৃষিমন্ত্রীর জবাব, নাসিকে কৃষকরা প্রতি কেজিতে ৪৫ টাকা পাচ্ছেন। কিন্তু কেন তারা ৯০ টাকা কিলো দরে তা বিক্রি করছেন তা বোঝা যাচ্ছে না। সরকার পেঁয়াজ নিয়ন্ত্রণ করে না। পেঁয়াজ বিক্রিও করে না। বাজার সবজির দাম নির্ধারণ করে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে বাণিজ্য মন্ত্রীর কথায়, পেঁয়াজের এই ঘাটতির জন্য রপ্তানিকে কখনওই দোষ দেওয়া যায় না। কারণ ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে এবছর খুব বেশি পরিমাণ পেঁয়াজ রপ্তানিও করা হয়নি বলে জানান আনন্দ শর্মা।
এদিন পেঁয়াজ সঙ্কট নিয়ে শরদ পাওয়ার ও খাদ্যমন্ত্রী কে ভি থমাসের সঙ্গে বৈঠক করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত। বৈঠকের পর তিনি বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। মোবাইল ভ্যানে করে পেঁয়াজের পুনরায় বিক্রির অনুমতি চেয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি লিখবে সরকার। একইসঙ্গে ব্যবসাদার ও মজুতদাররা এই পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছেন বলেও তাদের সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications