চিনের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে পাক সীমান্তে বারংবার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন! কাশ্মীরে শহিদ এক জওয়ান
জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি জেলার সুন্দরবনি সেক্টরে পাকিস্তানের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানের এই কাণ্ডে শহিদ হলেন এক সেনা জওয়ান। পাকিস্তানের তরফে শেলিংয়ের জেরে সেনার সেই জওয়ান শহিদ হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে সেনার তরফে।

কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় শেলিং পাক সেনার
শুধু রাজৌরি নয় এদিন কাশ্মীরের পুঞ্চেও সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে পাকিস্তান। জানা গিয়েছে রাত ১০টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বিনা প্ররোচনায় পাকিস্তানের তরফে পুঞ্চের কিরনি সেক্টরে শুরু হয় শেলিং। ভারতীয় সেনার পক্ষেও জবাব দেওয়া হয় এই হামলার।

রাজৌরিতে এক জঙ্গিকে খতম করে সেনা
সেনার তরফে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাতে কাশ্মীরের রাজৌরিতে এক জঙ্গিকে খতম করে সেনা। এরপরই পাকিস্তানের তরফে এই শেলিং শুরু করা হয়। প্রসঙ্গত, গতরাতে ধর্মসাল গ্রামে এক জঙ্গিকে খতম করে সেনা। তবে এখনও সেখানে আরও দুই থেকে তিনজন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে বলে সেনার তরফে সন্দেহ করা হচ্ছে।

লুকিয়ে রয়েছে আরও জঙ্গি
লুকিয়ে থাকা জঙ্গিকে ধরতে সেনার তরফে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে জঙ্গি অনুপ্রবেশে মদত দিতেই পাকিস্তানের তরফে এই বিনা প্ররোচনায় শেলিং শুরু করা হয়। গত আড়াই মাস ধরে কাশ্মীর লাগোয়া নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাকিস্তান নিয়মিত ভাবে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে আসছে বলে সেনার তরফে অভিযোগ আনা হয়।

বড় কোনও নাশকতার ছক
এদিকে গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবারই এক বড় হামলা রোধ করতে সক্ষম হয়ে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। ৬০ কেজি বিস্ফোরক সহ একটি গাড়ি উদ্ধার করা হয়য় পুলওয়ামা থেকে। যা উস্কে দিয়েছিল ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে। তবে এবারের পরিকল্পনা বানচাল করে দেয় ভারতীয় সেনা।

কাশ্মীর উপত্যকায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ জারি
গত কয়েকদিন ধরে লাগাতার কাশ্মীর উপত্যকায় সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ জারি রয়েছে। রবিবার গভীর রাত ও সোমবার দুটি পৃথক গঠনায় ১৩ জন জঙ্গি নারা যায় সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে। জানা গিয়েছে, এরা বসবাই পাকিস্তান থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল। প্রথম ঘটনাটিতে রাজৌরির নৌশেরা সেক্টরে ঘটে। সেখানে ৩ জঙ্গি নিকেশ হয়। অপর ঘটনায় জম্মুতে ১০ জন জঙ্গিকে মারে সেনা।

জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট
এই পরিস্থিতিতে কাশ্মীরের এই জঙ্গি তৎপরতা দেখে সেনার গোয়েন্দা বিভাগও হকচকিয়ে গিয়েছে। তাদের প্রাথমিক অনুমান বড়সড় কোনও নাশকতার ছক কষছে জঙ্গিরা। এর জেরে উত্তর দিল্লিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। শুধু তাই নয় সেখানে সিআরপিএফ-এর ইউনিটও মোতায়েন করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications