জরুরি অবস্থার ৫০ বছর! শুধু ইন্দিরা গান্ধীই নন, জওহরলাল নেহরুও এমার্জেন্সি জারি করেছিলেন
১৯৭১ সালের লোকসভা নির্বাচনে ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস তৎকালীন ৫২১ টি আসনের মধ্যে ৩৫২ টি আসন পায়। তারপরেই ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। জরুরি অবস্থা জারির অন্যতম পরামর্শদাতা সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় হলেও, ওই ঘটনায় ইন্দিরা গান্ধীকেই অপরাধী বলেই বিবেচনা করা হয় ইতিহাসে।
জরুরি অবস্থা জারির ৫০ বছর পর সেই ঘটনার স্মৃতি এখনও অনেকের মনে রয়ে গিয়েছে। তবে দেশে শুধু ১৯৭৫-এ জরুরি অবস্থা জারি করাা হয়নি। তার আগেও দুইবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। সেই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল জওহরলাল নেহরু এবং ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকার সময়ে। তবে ওই দুইবার জরুরি অবস্থার জন্য কেউ পণ্ডিত নেহরু কিংবা ইন্দিরা গান্ধীকে দায়ী করেন না।

একবার দেশে নেওয়া যাক, নেহরুর সময়ে জারি জরুরি অবস্থার সঙ্গে ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থার মধ্যে কী পার্থক্য ছিল।
- নেহরুর সময় জরুরি অবস্থা
দেশে প্রথমবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল ১৯৬২ সালের ২৬ অক্টোবর। ভারত ও দিনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ায় দেশের নিরাপত্তার ওপরে বহিরাগত হামলার আশঙ্কায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন। পরবর্তী রাষ্ট্রপতি জাকির হুসেনের সময় ১৯৬৮-র ১০ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা অবসানের ঘোষণা করা হয়।
- ইন্দিরার সময়ে জরুরি অবস্থা প্রথমবার
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে দেশে দ্বিতীয়বার জরুরি অবস্থা জারি করা হয় ১৯৭১-এর ৩ ডিসেম্বর। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। সেই জরুরি অবস্থা ছিল খুব কম সময়ের। ১৯৭১-এর ১৬ ডিসেম্বর পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ তৈরির পরের দিন অর্থাৎ ১৭ ডিসেম্বর জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হয়। এই জরুরি অবস্থা লাগু ও তার প্রত্যাহার করেছিলেন, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি।
- ইন্দিরার সময় জরুরি অবস্থা দ্বিতীয়বার
১৯৭৫-এর ২৫ জুন রাতে ইন্দিরা গান্ধী যখন দ্বিতীয়বারের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন, তখন দেশের জন্য কিংবা দেশের নাগরিকদের জন্য কোনও হুমকি ছিল না। হাইকোর্টের নির্দেশের পরে প্রধানমন্ত্রী চেয়ার নিয়ে প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি হয়। যে কারণে সেই জরুরি অবস্থছা জারি করেন ইন্দিরা গান্ধী। ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ সেই জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করা হয়। সেই সময় রাষ্ট্রপতি ছিলেন ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ।
- সংবিধানে জরুরি অবস্থা নিয়ে কী বলা আছে?
ভারতের সংবিধানের পার্ট ১৮-র ৩৫২ নম্বর অনুচ্ছেদে জরুরি অবস্থার কথা বলা রয়েছে। সেখানে লেখা আছে, রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন সমগ্র দেশে কিংবা দেশের কোনও অংশে যুদ্ধ কিংবা বহিরাগত কোনও আগ্রাসনের সম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে সেই পরিস্থিতিতে সমগ্র দেশে কিংবা দেশের একটি বিশেষ অংশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা যেতে পারে। জরুরি অবস্থা জারি হলে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার বলে কিছু থাকে না। পুরো ব্যবস্থাই রাষ্ট্রপতির হাতে চলে আসে।
-
রামনবমীর শোভাযাত্রায় হাইকোর্টের সবুজ সংকেত, তবে মানতে হবে কড়া শর্ত -
নতুন নির্দেশিকায় কড়া কেন্দ্র, নিয়ম না মানলে খোয়া যেতে পারে এলপিজি কানেকশনও! -
শেষ মুহূর্তে ক্যানসেল? আর মিলবে না টাকা! টিকিট বাতিলে বড় বদল ভারতীয় রেলওয়ের, জানুন নতুন নিয়ম -
তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির, অভয়ার মায়ের নাম ঘিরে বড় চমক পানিহাটিতে -
ভোটার তালিকায় গণ্ডগোল ঘিরে উদ্বেগ, দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি সামাল কমিশনের -
রাজস্থানের পর মালিকানা হাতবদল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুরও, আইপিএলে তৈরি হল নয়া রেকর্ড -
হরমুজ খুলে দাও, পরমাণু কর্মসূচিতে লাগাম, ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাবে ট্রাম্প, রাজি হবে কি তেহরান? -
ফের অসুস্থ সোনিয়া গান্ধী, দিল্লির হাসপাতালে ভর্তি, চিকিৎসকদের নজরে শারীরিক অবস্থা -
এলপিজি রিফিল বুকিংয়ের সময়সীমা পরিবর্তনের খবর কি সত্যি? আসল তথ্য জানাল কেন্দ্র -
হুমায়ুন-ওয়েইসির জোটের চোখ ১৮২টি আসনে, সংখ্যালঘু ভোট সুসংহত করাই মূল লক্ষ্য -
ভোটার তালিকায় ‘অদৃশ্য' নাম! কমিশনকে তোপ দাগলেন মমতা, উত্তরবঙ্গের মঞ্চে চড়ল রাজনৈতিক পারদ -
সব কেড়ে নিলেও মানুষ আমার পাশে, ময়নাগুড়ি থেকে বিজেপি ও কমিশনকে একসুরে নিশানা মমতার












Click it and Unblock the Notifications